আসন্ন ঈদুল আজহাকে ঘিরে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার পশুর খামার ও হাটগুলোতে উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারের গরু আমদানি বন্ধ থাকায় এবার স্থানীয় খামারিদের মুখে চওড়া হাসি। বাজারে এখন দেশীয় গরুর কদর ও চাহিদা তুঙ্গে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর টেকনাফের ২৭৪টি খামারে কোরবানির জন্য প্রায় সাড়ে সাত হাজার গরু প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই দেশীয় জাতের, যা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে লালন-পালন করা হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী সামি জাবেদ জানান, সীমান্তের ওপার থেকে মিয়ানমারের গরু আমদানি বন্ধ থাকায় এবার খামারিদের মাঝে কোনো লোকসানের ভয় বা হতাশা নেই। এই শূন্যতা স্থানীয় খামারিদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে ক্রেতারাও এখন নিশ্চিন্তে দেশি গরুর দিকে ঝুঁকছেন। পছন্দের পশুটি কিনতে খামার ও হাটগুলোতে এখন ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মতো।
টেকনাফ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. ইষাম বিন ওয়াদুদ জানান, "চলতি বছর কোরবানির ঈদে উপজেলায় চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত গরুর মজুদ রয়েছে। ক্ষতিকর হরমোন বা ওষুধ ছাড়া যেন সুস্থ উপায়ে পশু মোটাতাজাকরণ করা হয়, সে বিষয়ে আমরা খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছি।"
মিয়ানমারের গরুর ওপর নির্ভরতা কেটে যাওয়ায় এবং স্থানীয়ভাবে পর্যাপ্ত পশু প্রস্তুত থাকায় এবার টেকনাফে কোরবানির পশুর বাজার স্থিতিশীল ও জমজমাট থাকবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আজকালের খবর/কাওছার আল হাবীব