অন্ধকার জগৎ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রত্যয়ে ভালো হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভৈরব থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন ১০ মামলার আসামি উমান মিয়া (৩২)।
গত বুধবার সকালে পরিবারের ২৫-৩০ জন সদস্য ও বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে নিয়ে তিনি থানায় হাজির হন। উমান মিয়া পৌর শহরের ভৈরব উত্তর পাড়া এলাকার মৃত অহিদ মিয়ার ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক ও মারামারিসহ মোট ১০টি মামলা রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উমান মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ভৈরবসহ আশপাশের এলাকায় মাদক চোরাচালানের একটি বড় নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন। একাধিক মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, মাদক ব্যবসার অবৈধ উপার্জনে তিনি এলাকায় একটি পাঁচতলা বিলাসবহুল বাড়িও নির্মাণ করেছেন।
উমানের চাচা আর কে রিসান কবির বলেন, "আমার ভাতিজা অন্ধকার জগৎ থেকে বের হয়ে ভালো হতে চায়। সে ইতিমধ্যে মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছে এবং বিভিন্ন হালাল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। সে ভালো হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় আমরাই তাকে থানায় নিয়ে এসে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছি।"
আজকালের খবর/কাওছার আল হাবীব
তবে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণের বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে গিয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, "মাদকের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি ও নিয়মিত অভিযানের কারণে উমানকে ধরতে একাধিকবার চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। অবশেষে আজ কৌশলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুপুরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"