প্রকাশ: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৮ পিএম (ভিজিট : )

বিশিষ্ট কবি ও রাষ্ট্রচিন্তক ফরহাদ মজহার বলেছেন, কিছু গোষ্ঠী আছে যারা মনে করে ধর্মের ব্যাপারে বলবার অধিকার একমাত্র তাদের। এর বাইরে আর কেউ কথা বলতে পারবে না। ফলে বিভিন্ন সময়ে মাজার ভাঙ্গা হয়েছে, বাউলদের উপর অত্যাচার হয়েছে। অনেক বাউলদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আপন সরকার এখনো কারাগারে।
শুধু তাই নয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাধনার ধারা চিন্ময় প্রভু এখনো কারাগারে আছে। আর এসব হচ্ছে অন্যায়। এই অন্যায় থেকে সমাজকে মুক্ত হতে হবে, রাষ্ট্রকে মুক্ত হতে হবে। এসব ছাড়া প্রীতি, ভালবাসায় সমাজকে নতুনভাবে গড়ে তোলা যাবেনা। বরং নিজেদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করে মাজার ভেঙ্গে প্রমাণ করতে চাইবে মাজারে সব ধর্ম বিরোধী।
তিনি শুক্রবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার দগরীসার মোড়ে আধ্যাত্মিক সাধক পুরুষ আব্দুল কাদির শাহ (রহ.) ৫৮তম স্বরণোউৎসব ও বার্ষিক ওরসের দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, মাজারের কোন বিষয়ে কারো আপত্তি থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে সংশোধন করা যায়। কিন্তু মাজার ভাঙ্গা ইসলামের চিন্তার মধ্যে পড়ে না। তাই মাজার ভাঙ্গার বিরুদ্ধে সকলকে দাঁড়াতে হবে কারণ এর সাথে ধর্মের কোন সম্পর্ক নেই।
তিনি আরো বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব প্রতিটি নাগরিকের তথা মাজার, বাড়িরঘর, রাষ্ট্রীয় সম্পদসহ সবকিছু রক্ষা করা। মূলত আমরা এখনো এমন রাষ্ট্র গঠন করতে পারিনি যে রাষ্ট্র মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে পারে। একজন ব্যক্তি মাজারে যাবেন নাকি অন্য কোথাও যাবেন তা একজন ব্যক্তির গণতান্ত্রিক অধিকার। যখন রাষ্ট্র এই গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করতে পারে না তখন অবশ্যই রাষ্ট্রের বিষয়ে প্রশ্ন তুলতে হবে।
কাওছার আল হাবীব/আজকালের খবর