প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৪:২৩ পিএম (ভিজিট : )

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে গলা কেটে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৪ জনের বিরুদ্ধে এজহার দায়ের করেছেন নিহতের স্বামী ইমতিয়াজুর সুলতান। এতে বিভাগের সাবেক কর্মচারী ফজলুর রহমানকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় এই এজহার দায়ের করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইবি থানার ওসি মাসুদ রানা।
অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার, সহকারী অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমান।
কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার জসিমউদদীন বলেন, এঘটনায় ৪ জনের নামে এজহার দায়ের করা হয়েছে। তবে এফআইআর এখনো হয়নি। মামলা প্রক্রিয়াধীন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ফজলুর রহমান আগে সমাজকল্যাণ বিভাগের কর্মচারী ছিলেন। পরবর্তীতে তার কিছু অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে বিভাগীয় প্রধান তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করে। অসদাচরণের জন্য বদলির আগে তাকে অনেকবার সুযোগ দেওয়া হয় কিন্তু আচরণ পরিবর্তন না হওয়ায় তাকে বদলি করা হয়। এজন্য এই হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে এর বাইরে কোনো কারণ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে কাজ করছে সিআইডি পুলিশ।
এদিকে সকাল ১০টার দিকে আসমা সাদিয়ার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে৷ বাদ জোহর কুষ্টিয়া ইদগাহ মাঠে তার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।
উল্লেখ্য, বুধবার বিকেল ৪টার দিকে আসমা সাদিয়া রুনাকে ছুরিকাঘাত করেন ফজলুর রহমান। পরে নিজেও গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। গুরুতর অবস্থায় দু’জনকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে আসমা সাদিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। অভিযুক্ত কর্মচারী ফজলুর রহমান চিকিৎসাধীন।
আজকালের খবর/বিএস