প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫১ পিএম (ভিজিট : )

রংপুরে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রিন্সিপাল লাইব্রেরিয়ান, বিভাগীয় সরকারী গ্রন্হাগার মোঃ সালাহউদ্দীন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২ টায় জেলা প্রশাসন ও বিভাগীয় সরকারী গ্রন্হাগারের আয়েজনে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, রংপুরের জেলা প্রশাসক এনামুল আহসান।
৫ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দিনটি স্মরণে রাখতে এই দিনকে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০১৮ সাল থেকে দিনটি জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস হিসেবে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হয়ে আসছে।
এ সময় প্রধান অতিথি বলেন গ্রন্থাগার দিবসের মাধ্যমে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি গ্রন্থাগার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান গ্রন্থাগার, এনজিও পরিচালিত গ্রন্থাগার ইত্যাদির মধ্যে একটি কার্যকর এবং ফলদায়ক সমন্বয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এরূপ সমন্বয়ের ফলে বাংলাদেশের গ্রন্থাগার সেবার মান ও কার্যকারিতা দু-ই আরও বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে রংপুরও তার ব্যতিক্রম নয়।
জ্ঞানার্জন, চেতনা, মূল্যবোধের বিকাশ, গবেষণা, সংস্কৃতিচর্চা ইত্যাদির মাধ্যমে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে গ্রন্থাগারের অপরিসীম ভূমিকা রাখার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।
অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,মোঃ আব্দুস সামাদ প্রধান ডেপুটি ডিরেক্টর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় জয়নাল আবেদীন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।
লাইব্রেরি হয়ে উঠেছে একাধারে জ্ঞান বিতরণকেন্দ্র, সামাজিক মিলনমেলার স্থান, একই সঙ্গে বিনোদনকেন্দ্রও বলা যায়। একসময় গ্রন্থাগার ছিল আবদ্ধ, সাধারণ মানুষের জন্য তা উন্মুক্ত ছিল না। গণতন্ত্রের প্রসারে জ্ঞানবিজ্ঞানে জনসাধারণের প্রবেশের পাশাপাশি ওই সব লাইব্রেরিও উন্মুক্ত হয়েছে সাধারণ মানুষের জন্য। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে গবেষক, সাধারণ মানুষ সবার জ্ঞানের পিপাসা মেটানোর জন্য গ্রন্থাগার সেবা প্রদান করে যায়।
আলোচনা শেষে উপস্থিত বক্তৃতা, রচনা, চিত্রাংকন ও বইপাঠ প্রতিযোগিতার ৩২ জন বিজয়ীদের মাঝে পুরস্খার বিতরণ করা হয়।
কাওছার/আজকালের খবর