সোমবার ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
বেগম খালেদা জিয়ার অবিচল দৃঢ়তা তাকে আপসহীন নেতৃত্বে আসীন করেছে: অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:০৫ পিএম
বাংলাদেশের সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ ক্যাম্পাসে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ২০২৬ বৃহস্পতিবার ইউনিভার্সিটির বনানী ক্যাম্পাসের হলরুমে এই শোকসভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ, লেখক-গবেষক প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহ।

ফ্যাকাল্টি অব কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ডিজটাল ইনোভেশন এর ডিন প্রফেসর ড. সৈয়দ আখতার হোসেনের সভাপতিত্বে শোকসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- সিনিয়র সাংবাদিক, অধিকারকর্মী শামসুল আলম লিটন ও ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর ভাইস প্রেসিডেন্ট আনিজা পারভিন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে স্মৃতিচারণ করেন ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির ডেপুটি ডিরেক্টর অবসরপ্রাপ্ত মেজর এনামুল করিম।

শোকসভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী জাহিদুল হক জুবায়ের। মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। তাঁর সম্মানে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

শোকসভায় বেগম খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের ওপর সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন আরেক শিক্ষার্থী আশফিয়া মাশিয়াত ইসলাম।

প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে বেগম খালেদা জিয়া বিভিন্ন সময়ে ও সংকটকালে শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট নাগরিকদের পরামর্শ নিতেন। বেগম জিয়ার ‘আপসহীন ও দেশনেত্রীর’ উপাধি পাওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থে তিনি সর্বদা ছিলেন অবিচল। ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, ১৯৮৬ সালে এরশাদের অধীনে নির্বাচন না করার সিদ্ধান্তে অটল থাকা, রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় গণতন্ত্র চালু করা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়া- এসব কিছুই তিনি করেছেন জাতীয় স্বার্থে। সবকিছুর ওপর জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিতেন বেগম জিয়া। তিনি সবসময় বিশ্বাস করতেন দেশের বাইরে আমাদের বন্ধু আছে কোন প্রভু নেই। দেশই তার শেষ ঠিকানা। আমৃত্যু তিনি তা প্রমাণ করে গেছেন।

রাষ্ট্র পরিচালনায় বেগম জিয়ার অবিচল নীতি, আদর্শ ও দৃঢ়তা শিক্ষার্থীদের মননে গেঁথে দিতে তিনি শিক্ষাবিদ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার পরামর্শ দেন। তাহলেই বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা হবে বলে বিশ্বাস করেন প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শামসুল আলম লিটন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া একজন আদর্শিক নেতৃত্বের সবকিছুই লালন করেছেন আজীবন। চরম নির্যাতন, ব্যক্তিগত কষ্ট, কারাবারণ সন্তান হারানোর বেদনা কোন কিছুই তাকে জাতীয় স্বার্থ থেকে একবিন্দুও টলাতে পারেনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আনিজা পারভিন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া নারীর উন্নয়ন ও তাদের শিক্ষায় যুগান্তকারী কিছু পদেক্ষেপ নিয়েছেন। যার ফলে নারীরা আজ শিক্ষায়, গবেষণায়, নেতৃত্বে তাদের যথাযথ জায়গা করে নিতে পারছেন। 

আজকালের খবর/বিএস 








http://ajkalerkhobor.net/ad/1751440178.gif
সর্বশেষ সংবাদ
ডোমারে উত্তম কৃষি চর্চা সার্টিফিকেশন প্রশিক্ষণ
গোপালগঞ্জে কারাবন্দি বাবাকে বিজয়ী করতে মাঠে ১৬ বছর বয়সী ছেলে খাইরুল
আওয়ামী লীগ কখনোই বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেনি: সালাহউদ্দিন
পদত্যাগ করলেন ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র চাকমা
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
ফেনীতে প্রায় দুই যুগ পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভা
নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্যের অনুমতি দেওয়ায় প্রতিবাদ জানালো বাংলাদেশ
জামায়াত আমির ডাঃ শফিকুর রহমান সাতক্ষীরা আসছেন ২৭ জানুয়ারি
লাপাত্তা বিএনপিপন্থি বিভাগীয় সভাপতি, ইবিতে নিয়োগ বোর্ড স্থগিত, বিক্ষোভ
হাতীবান্ধায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ২০
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রাপা প্লাজা( ৭ম তলা), রোড-২৭ (পুরাতন) ১৬ (নতুন), ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৯।
ফোন: বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor@gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor@gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft