প্রকাশ: সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৮:৩৫ পিএম (ভিজিট : )

শ্রীনগর-দোহার আঞ্চলিক সড়কের পাশে কয়র্কীতন কবরস্থান সংলগ্ন বিশালাকার একটি জলাশয় ভরাট কাজ রহস্যজনক কারণে বন্ধ হচ্ছে না। এতে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি উপজেলার ভূমি কর্মকর্তার নির্দেশে ভরাট বন্ধে লাল নিশান সাটানো হলেও রাতেই নিষেধ অমান্য করে মাটি ভরাটের কাজ করা হয়।
এর আগে গত ডিসেম্বর মাসের প্রথমদিকে জলাশয়টি ভরাটের খবর পেয়ে স্থানীয় ভূমি অফিসের লোকজন ভরাট বন্ধে লাল নিশান দেন। তবে কোনোভাবেই জলাশয় ভরাটকারী কোলাপাড়া ইউনিয়নের ফুলকুচি গ্রামের প্রভাবশালী জমির মিয়াগং প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে রাতের আধারে ভরাট কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের পাশে দীর্ঘ টিনের বেড়া দিয়ে জলাশয়ের অধিকাংশ ভরাট করে ফেলা হয়েছে। জলাশয়ের বাকি অংশও হয়ত কয়েকদিনের মধ্যেই ভরাট সম্পন্ন হয়ে যাবে। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জমির মিয়ার খুঁটির জোর কোথায়?
স্থানীয়রা বলেন, প্রথম দিকে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নিষেধ করলে জমির মিয়ার ভরাট কাজ কিছুদিনের জন্য বন্ধ ছিল। সুযোগ বুঝে কয়েকদিন ধরে রাতের আধারে ড্রাম ট্রাকের করে বালু এনে জলাশয় ফের ভরাট শুরু করে। বিষয়টি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে সর্বশেষ গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকালের দিকে স্থানীয় ভূমি অফিসের লোকজন ফের লাল নিশান সাটিয়ে দেন। অথচ ওই রাতেই জলাশয় ভরাটের কাজের গতি বাড়ে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
সচেতন মহল বলেন, দেশের প্রচলিত আইন অনুসারে ভরাটকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হলে জলাশয়টি ভরাটের হাত থেকে রক্ষা পেত। উপজেলার সার্ভেয়ার মনীরুল ইসলাম জানান, এসিল্যান্ড স্যার এখন অফিসে নেই। নিষেধ অমান্য করে জলাশয়টি ভরাট করার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন আমি স্থানীয় ভূমি অফিসে ফোন করে দেখছি।
শ্রীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জোবায়ের হাবিব জানান, আমি একাধিকবার ভরাট কাজ বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে। যদি নিষেধ অমান্য করে ভরাট কাজ পুনরায় শুরু হয়ে থাকে তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজকালের খবর/ওআর