র্যাম্প মডেল থেকে সিনেমায় নাম লেখানো ঢাকাই সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম আবেদনময়ী চিত্রনায়িকা ‘আইরিন’-কে পাওয়া যাচ্ছে না কোথায়। তিনি উধাও। চলচ্চিত্র পরিবারের কারো সঙ্গে তার যোগাযোগ নেই। এমন কী ব্যক্তিগত মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে গভীর সংকটে পড়ছেন ‘চৈত্রদুপুর’ সিনেমার পরিচালক জেসমিন আক্তার নদী।
ক্ষোভ মিশ্রিত কণ্ঠে এই পরিচালক আজকালের খবরকে বলেন, আমার সিনেমার শুটিং শেষ এখন বাকি কেবল দুটি গান। গান দুটো রেডি হলে সেন্সরের জন্য জমা দেবো; কিন্তু আইরিনের জন্য পারছি না।
পারছি না বলতে তাকে বলেছিলাম গান দুটো শেষ করে দিতে কিন্তু সে বলেছেন চিত্রনাট্যে গানের কথা ছিলো না। তার এ কথা সত্য নয়; তাকে যে চিত্রনাট্য দেওয়া হয়েছে সেখানে গানের কথা উল্লেখ আছে- দাবি জেসমিন আক্তারের।
তিনি বলেন- অনেকবার চেষ্টা করেছি মুঠোফোনে বাধ্য হয়ে ম্যানেজার পাঠিয়ে ছিলাম কিন্তু আইরিন তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন।
চৈত্রদুপুর সিনেমার একটি দৃশ্যে আমার রেজা ও আইরিন সুলতানা
ঘনিষ্টদের কাছে শুনেছি তার কাছের কোনো এক বন্ধু তাকে আর সিনেমা না করার জন্য চাপ দিয়েছেন সে কারণেই তিনি ক্যামেরার সামনে আসতে চাইছেন না- যোগ করেন নদী।
তিনি বলেন, অথচ দেখুন আইরিন কিন্তু একজন ভদ্র, মার্জিত অভিনেত্রী হিসেবে সুপরিচিত; আজ সেই কি না আমার ছবিটিকে এভাবে আটকে দিচ্ছে। আমি আর এক- দুদিন দেখবো আইরিন যোগাযোগ না করলে আইনি পথেই হাঁটবো।
ভাসমান পতিতাদের জীবন নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ‘চৈত্রদুপুর’ সিনেমাটি গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ক্যামেরা ক্লোজ হয়।
পরিচালকের এমন অভিযোগের সত্যতা জানতে এই প্রতিবেদকের মুঠোফেন থেকে আইরেনর সঙ্গে যোগাগ করা হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
ড. আলী আযম বাবলার কাহিনী অবলম্বনে এর চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন মাসুম আজিজ।