বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পরেও বিড়ম্বনা কমছে না আর্জেন্টিনার। ম্যাচের পর দেশে ফেরার বিমান ধরার আগে আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থার সভাপতি ক্লদিয়ো তাপিয়া এবং আর এক কর্তাকে এফবিআই জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের ফোনও নাকি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে ২৯০০ কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।
যাবতীয় অভিযোগই আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা অস্বীকার করেছে।তাপিয়াদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থার পাওয়া স্পনসরশিপের অর্থ আমেরিকার বিভিন্ন ব্যাঙ্কের সাহায্যে তছরূপ করা হয়েছে। ফাইনালের পর আর্জেন্টিনার কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে রাজধানী বুয়েনোস আইরেসে ফেরার কথা ছিল তাপিয়ার। তখনই আমেরিকার তদন্তকারী সংস্থা বাধা দেয়।
তাপিয়াকে হেফাজতে নেওয়া হয়। তাঁকে একটি বাসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে অভিযোগ। ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়। তাপিয়ার সঙ্গে ছিলেন সংস্থার কোষাধ্যক্ষ পাবলো টভিজিনো। দু’জনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে খবর।প্রায় সব অভিযোগই অস্বীকার করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা। তবে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টি পরোক্ষে মেনে নিয়েছে তারা। জানিয়েছে, তাপিয়া বা টভিজিনো নয়, ‘তৃতীয় পক্ষ’কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল। তিনিই আমেরিকার আদালতে তথ্যপ্রমাণ দিয়েছেন।
আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থার বিরুদ্ধে ২৯০০ কোটি টাকা আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত করছে এফবিআই। এক সাক্ষীর বয়ান অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা দল বিমানে ওঠার আগেই তদন্তকারী সংস্থার কর্তারা তাপিয়া এবং টভিজিনোকে আটকান। ৩০ মিনিট জিজ্ঞাসাবাদ চলে। তৃতীয় কোন পক্ষকে আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা পাঠিয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়।
আমেরিকার বিভিন্ন ব্যাঙ্কের নথি অনুযায়ী, লক্ষ লক্ষ ডলার আদানপ্রদান হয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থার। মাত্র কিছু দিনের জন্য অর্থ রেখে পরে তা অন্যত্র সরানো হয়েছে। এতেই আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ জোরালো হয়েছে।
আজকালের খবর/এমকে