নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত দৌলতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিখোঁজ পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী চাঁদনী আক্তার (১১) কে আন্তঃনগর মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
বিদ্যালয় ছুটির পর চাঁদনী বাড়ি না পৌঁছালে তার স্বজনরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। পরে আন্তঃনগর মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চাঁদনী আক্তার পৌর শহরের উত্তর দৌলতপুর গ্রামের কামাল মিয়ার মেয়ে। পরিবারের স্বজনরা ও শিক্ষার্থী চাঁদনী আক্তার জানায়, টিফিনের সময় বিদ্যালয়ের গেট থেকে বের হলে রাস্তায় পড়ে থাকা একটি রুমাল তুলে দেওয়ার জন্য একজন ব্যক্তি বললে আমি রুমাল তুলে দেই। পরে আমাকে অটোতে বসায় এরপর আমি কিছুই বলতে পারি না।
শিক্ষার্থীর বাবা কামাল মিয়া জানান, চাঁদনী স্কুল ছুটির পর বাড়িতে না যাওয়ায় আমরা চারিদিকে খোঁজখবর ও তল্লাশী শুরু করি। এক পর্যায়ে মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে অপেক্ষামান আন্তঃনগর মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে নিখোঁজ চাঁদনী আক্তারকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করি। বর্তমানে সে নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শিক্ষার্থীর সহপাঠী ও বন্ধুরা ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেন।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) দুপুরে মোহনগঞ্জ থানার একটি টিম ঘটনা অনুসন্ধানের জন্য দৌলতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমান জানান, এখানে ১ হাজার ২৫জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এরমধ্যে ৪শ ৭৬ জনই বালিকা। তিনি ছাত্রীদের বিষয়ে অভিভাবকদের কঠোরভাবে খেয়াল রাখতে হবে বলে জানান।
মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, খবর শুনেছি। পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পাইনি। এ ঘটনায় পুরো তদন্ত শুরু হয়েছে।
আজকালের খবর/বিএস