গণমাধ্যম হচ্ছে সমাজ ও রাষ্ট্রের দর্পণ। একটি স্বাধীন, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমই রাষ্ট্রের প্রকৃত চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরতে সক্ষম। তাই গণতন্ত্র, সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার স্বার্থে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত জরুরি।
সোমবার (২৯ জুন) রাতে ভার্চুয়াল বৈঠকে বিএমইউজে নেতারা এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশে মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের মাসিক ভার্চুয়াল মিটিং শেষে এক বিবৃতিতে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সোহেল আহমেদ বলেন - গণমাধ্যম একটি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ এবং স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জনগণের আশা-আকাঙ্খা, সমস্যা ও সম্ভাবনাকে জাতির সামনে তুলে ধরতে মুক্ত গণমাধ্যমের বিকল্প নেই।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক বলেন- দুঃখজনক হলেও সত্য, দেশে বিভিন্ন সময় সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা, হয়রানি, হামলা-মামলা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় প্রতিবন্ধকতার ঘটনা ঘটেছে। আমরা বিশ্বাস করি, একটি গণতান্ত্রিক ও কল্যাণরাষ্ট্র গঠনের জন্য সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং স্বাধীনভাবে সত্য প্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ আরেফিন বলেন - গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং তথ্যপ্রবাহের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকেও দায়িত্বশীলতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও নৈতিকতার সঙ্গে সংবাদ পরিবেশন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ প্রত্যাশা করি, যেখানে সত্য প্রকাশে কোনও বাধা থাকবে না এবং গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে গণমাধ্যম সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করে জনগণের কথা বলতে পারবে।
আজকালের খবর/বিএস