কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে গুরুতর আহত নূরুল ইসলাম (৫৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ রবিবার (৭ জুন) সকালে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। এই ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের পর এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি সোহাগকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নারান্দী ইউনিয়নের দাড়পাড়া গ্রামে নূরুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে একই গোষ্ঠীর রেনু মিয়ার পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত ৩ জুন সকালে বাড়ির সীমানা নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে নূরুল ইসলাম গুরুতর আহত হন।
আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ সকালে তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় নিহতের মেয়ে শাহানা আক্তার বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের রেনু মিয়া এবং তার তিন ছেলে সোহাগ, নাদিম ও নাঈমসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে পাকুন্দিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান জানান, নূরুল ইসলামের মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়েছে। ইতিমধ্যে এজাহারভুক্ত আসামি সোহাগকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আজকালের খবর/কাওছার আল হাবীব