চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। দীর্ঘদিন ধরে চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করে যাত্রীদের আঘাত করে যাচ্ছে কিছু স্থানীয় দুর্বৃত্তরা। এতে যাত্রীসহ ট্রেনে কর্মরত স্টাফরা মারাত্মক ভাবে আহত হচ্ছেন। এসব দুর্বৃত্তদের দৌরাত্ম ঠেকাতে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী এবং রেলওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযানসহ সচেতনতা মূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।
গত ৫ মে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ফলে একজন নারী শিক্ষার্থীর কপালে গুরুতর আঘাত লাগে। অল্পের জন্য সেই শিক্ষার্থীর চোখ বেঁচে যায়। বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ায় রেলওয়ে পুলিশ ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী মিলে গত ৬ মে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এসময় ষোলশহর জিআরপি পুলিশ ফাঁড়ি, আরএনবি জেনারেল, অস্ত্র শাখা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকসুর সদস্যদেরকে নিয়ে রেল চলাচলে বাধা ও চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ প্রতিরোধকল্পে ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন এলাকা সহ বিভিন্ন স্থানে জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
রেললাইনের আশেপাশে অবৈধ স্থাপনা, বাড়ি-ঘর দোকান-পাট ইত্যাদি গড়ে উঠায় এসব স্থান অপরাধ প্রবণ হয়ে উঠে। খুব সহজেই মাদক সেবন থেকে শুরু করে মাদকের বেঁচাকেনাসহ গুরুতর অপরাধ ঘটে যাচ্ছে। জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার পরে সেসব স্থান যাতে পুনরায় দখল না হয়, তার জন্য রেলওয়ের আইন অনুযায়ী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবী জানান রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
রেলওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এসব জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রমে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীকে সাথে নিয়ে নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি রেললাইন সহ আশেপাশের সরকারি জায়গায় ঘটিত যেকোনো অপরাধ নির্মূলে রেলওয়ে পুলিশ কাজ করে যাবে।
আজকালের খবর/বিএস