বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘মুক্তি কক্সবাজার’। “মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গতকাল মঙ্গলবার দিনব্যাপী নানা আয়োজনে মুখর ছিল সংস্থার অঙ্গন।
সকালে নগরীর গোলদীঘির পাড়ে অবস্থিত সংস্থার প্রধান কার্যালয় মুক্তি ভবনে প্রায় দেড় শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর অংশগ্রহণে পান্তা-ইলিশের আয়োজন করা হয়। উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে পুরো প্রাঙ্গণে। পরে সকাল ১০টায় মিলনায়তনে শুরু হয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যা চলে দুপুর ২টা পর্যন্ত। জাতীয় সংগীত ও ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। গান, কবিতা ও নৃত্যের পরিবেশনায় বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্থার প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে সরকার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট শিবু লাল দেবদাস।
তিনি তাঁর বক্তব্যে মাতৃভাষার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “যে জাতি যত বেশি নিজের ভাষাকে সম্মান করে, সে জাতি তত উন্নত।
সভাপতির বক্তব্যে বিমল চন্দ্র দে সরকার নববর্ষের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে বলেন, নতুন বছর যেন সবার জীবনে নতুন আশা, উদ্যম ও সাফল্যের দুয়ার উন্মোচন করে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সংস্থার সহ-সভাপতি অধ্যাপক জেবুন নেছা, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) শরমিন ছিদ্দিকা লিমা, সদস্য অজিত কুমার দাশসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কর্মকর্তারা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুজিত চৌধুরী, উপ-প্রধান নির্বাহী সৈয়দ লুৎফুল কবির চৌধুরীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
শেষে আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান নির্বাহী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন রিফা পাল।
আজকালের খবর/ এমকে