দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা-এ শিলাবৃষ্টি ও বৈরি আবহাওয়ার কারণে বিপুল পরিমাণ কাঁচা ইট নষ্ট হয়ে গেছে। এতে করে ইটের সংকটে পড়ে চলতি মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একাধিক ইটভাটা।
জানা গেছে, সাধারণত বর্ষা মৌসুম শেষে নভেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত শুষ্ক মৌসুমে ইট তৈরি ও পোড়ানোর কাজ চলে। কিন্তু চলতি বছরের এপ্রিল মাসে কয়েক দফা বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টিতে চাতালে শুকানোর জন্য রাখা লাখ লাখ কাঁচা ইট গলে নষ্ট হয়ে যায়।
উপজেলার অন্তত ৫টি ইটভাটার প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে—
এমডিডি ভাটায় প্রায় ৪ লাখ, এমডিবি ভাটায় ১২ লাখ, এমকে ভাটায় ৮ লাখ, এসএ ভাটায় ৩ লাখ এবং মনা ভাটায় প্রায় ৭ লাখ কাঁচা ইট নষ্ট হয়েছে। এতে ভাটা মালিকরা ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
এদিকে মৌসুমের ব্যস্ত সময়ে কাঁচা ইট নষ্ট হওয়ায় নতুন করে ইট তৈরি করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। চাতাল থেকে নষ্ট ইট সরিয়ে পুনরায় উৎপাদন শুরু করতে সময় ও শ্রম দুটোই বেশি লাগছে। ফলে ইটের ঘাটতির কারণে অনেক ভাটায় নতুন করে আগুন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
এ পরিস্থিতিতে মে মাসে মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই অনেক ভাটায় ইট পোড়ানোর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এমডিডি ভাটার স্বত্বাধিকারী এস্তাক আহমেদ বলেন, “অসময়ের বৃষ্টি ও বৈরি আবহাওয়ার কারণে লাখ লাখ ইট নষ্ট হয়েছে। এতে আমরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি।”
আজকালের খবর/ এমকে