মালয়েশিয়ার ঐতিহাসিক মালাক্কা রাজ্যে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশনের দুই দিনব্যাপী বিশেষ মোবাইল কনস্যুলার সেবা কার্যক্রম। শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল থেকেই রাজ্যের সিবিএল মানি ট্রান্সফারে শত শত বাংলাদেশি প্রবাসীর উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে কনস্যুলার সেবা কেন্দ্র।
বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ বিশেষ ক্যাম্পে ই-পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট, পাসপোর্টসংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম এবং অন্যান্য কনস্যুলার সেবা দেওয়া হচ্ছে। এ কার্যক্রম চলবে ১৯ জুলাই রোববার পর্যন্ত।
মালাক্কার বিভিন্ন জেলা ও দূরবর্তী এলাকা থেকে আসা প্রবাসীরা সকাল থেকেই নির্ধারিত কেন্দ্রে সারিবদ্ধভাবে প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ করেন। সেবা নিতে আসা অনেকেই জানান, একটি পাসপোর্ট বা অন্য কোনো কনস্যুলার সেবার জন্য আগে কুয়ালালামপুরে যেতে সময় ও অর্থ দুই-ই ব্যয় হতো। নিজ রাজ্যে এ ধরনের সেবা চালু হওয়ায় তাদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে।
বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাসপোর্ট ও ভিসা উইংয়ের প্রধান ইয়াসিন কবির জানান, মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরীর নির্দেশনায় প্রবাসীদের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে বিভিন্ন রাজ্যে সরকারি ছুটির দিনগুলোতে মোবাইল কনস্যুলার সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, রাজধানীর বাইরে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়েই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে মালয়েশিয়ার অন্যান্য রাজ্যেও এ ধরনের বিশেষ কনস্যুলার সেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ক্যাম্পে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান ইএসকেএলের কর্মকর্তারাও দায়িত্ব পালন করছেন। তারা আবেদন গ্রহণ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই, বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করছেন।
প্রবাসীরা জানান, রাজধানীর বাইরে নিয়মিত এ ধরনের কনস্যুলার ক্যাম্প আয়োজন করা হলে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি সরকারি সেবা আরও সহজলভ্য হবে। বিশেষ করে শিল্পাঞ্চল ও দূরবর্তী এলাকায় কর্মরত বাংলাদেশিদের জন্য এ উদ্যোগ উল্লেখযোগ্য স্বস্তি এনে দিয়েছে।
আজকালের খবর/এমকে