রাঙামাটির সাজেকে আটকা পড়া পর্যটকদের মধ্যে দেড়শ জনকে সরিয়ে আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে পর্যটকদের নিয়ে আসার কার্যক্রম শুরু করে বাঘাইহাট সেনা জোন।
সাজেক থেকে বাঘাইহাট পর্যন্ত তিনটি স্থানে পানি ওঠায় সাজেকের সঙ্গে যান চলাচল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে সেখানে সাড়ে পাঁচ শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েন। বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর স্কটের মাধ্যমে পর্যটকদের সাজেক থেকে বাঘাইহাট পর্যন্ত নিয়ে আসা হয়।
মাচালং, সীমানাছড়া ও বাঘাইহাট বাজারে পানি ওঠার কারণে পর্যটকেরা সাজেকে আটকা পড়েন। সেনাবাহিনী মোটরবাইক, সিএনজি অটোরিকশা ও মাহেন্দ্রার সাহায্যে তাদের সাজেক থেকে নিয়ে আসে। পথে মাচালং, সীমানাছড়া ও বাঘাইহাট বাজার এলাকায় নৌকা ও ভেলায় করে পর্যটকদের পারাপার করানো হয়। প্রতিটি স্থান পার হওয়ার পর আবার মোটরবাইক, সিএনজি অটোরিকশা ও মাহেন্দ্রায় করে তাদের নিয়ে আসা হয়। এভাবে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত দেড়শ জনকে সরিয়ে আনা হয়েছে বলে বাঘাইহাট জোন সূত্রে জানা গেছে।
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান জানান, সাজেকে আটকা পড়া ৫৬১ জন পর্যটকের মধ্যে সেনাবাহিনীর স্কটের মাধ্যমে ১৫০ জনকে সরিয়ে আনা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাকি পর্যটকদেরও সরিয়ে আনা হবে।
টানা বৃষ্টিপাতের কারণে জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। খাগড়াছড়ি–সাজেক সড়কের একাধিক স্থানে বন্যার পানিতে যান চলাচল বন্ধ থাকায় তারা সেখানে আটকা পড়েন।
কটেজ অ্যান্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব সাজেকের সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা জানান, আটকা পড়া পর্যটকদের বিনা ভাড়ায় থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে শুধু পানির বিল নেওয়া হচ্ছে।
আজকালের খবর/বিএস