
জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্যামেরাম্যান আবু হেনা বাবলু না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭৮ বছর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনে স্থির চিত্রগ্রাহক সমিতির সভাপতি জি ডি পিন্টু।
তার দেওয়া তথ্যমতে বাবলু আজ দুপুর দেড়টায় সাভারে নিজ বাড়িতে বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি চার ছেলে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
বাবলুর জন্ম ১ ফেব্রুয়ারি পাবনা জেলায় ১৯৪৮ সালে। ১৯৬৯ সালে তিনি এফডিসিতে ক্যামেরাম্যান সিরাজুল ইসলামের হাত ধরে সহকারী চিত্র গ্রাহক হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে তিনি রেজা লতিফের সঙ্গে দীর্ঘ সময় সহকারী হিসেবে কাজ করেন।
১৯৭৬ সালে প্রথম এককভাবে তাঁর চিত্রগ্রহণকৃত চলচ্চিত্র আজিজুর রহমান পরিচালিত গরমিল। এরপর তিনি অগ্নিশিখা, মধুমিতা, অশিক্ষিত, প্রিয় বান্ধবী, মাটির মানুষ, ওয়াদা, সাম্পানওয়ালা, গাংচিল,ঘরনী সহ প্রায় দেড় শতাধিকের অধিক চলচ্চিত্রে চিত্রগ্রহণের কাজ করেছেন।
১৯৯১ সালে পিতা মাতা সন্তান সিনেমায় ক্যামেরায় অসামান্য কাজের স্বীকৃতিসরূপ আবু হেনা বাবলু জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। বিখ্যাত প্রযোজক ও পরিচালক এ জে মিন্টুর সঙ্গে তার এক ধরনের রসায়ন ছিলো। তারা একযোগে সত্য মিথ্যা, লোভ লালসা, লক্ষ্মীর সংসার প্রভৃতি ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দেন।
এদিকে, আবু হেনার বাবলুর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি, চলচ্চিত্র গ্রাহক সংস্থা, সিনে স্থির চিত্রগ্রাহক সমিতি।
প্রসঙ্গত, বিখ্যাত ক্যামেরাম্যান আব্দুল লতিফ বাচ্চুর মৃত্যুতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন আবু হেনা বাবলু।
আজকালের খবর/আতে