বুধবার ২৪ জুন ২০২৬
মুস্তাফা মনোয়ারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন দুই মন্ত্রী
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৮:১৪ পিএম  আপডেট: ২৩.০৬.২০২৬ ৮:২২ পিএম  (ভিজিট : ৮)
দেশের বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের চিকিৎসায় খোঁজখবর নিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। গতকাল সোমবার সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ও প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গুণী এই শিল্পীর শয্যাপাশে কিছু সময় কাটান এবং তার চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন।

এ সময় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মুস্তাফা মনোয়ারের চিকিৎসা এবং তার সম্মানার্থে একটি চেক তার পরিবারের হাতে তুলে দেন নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘সরকার দেশের শিল্প-সংস্কৃতির ধারক ও বাহকদের যেকোনো সংকটে পাশে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর। বরেণ্য এই শিল্পীর দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতা কামনা করছি।’

রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা চলছে মুস্তাফা মনোয়ারের। শিল্পীর স্ত্রী মেরী মনোয়ার জানিয়েছেন, ১৪ জুন শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে আইসিইউতে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মেরী মনোয়ার।

গত মাসগুলোতে কয়েকবার হাসপাতালে যেতে হয়েছে ৯১ বছর বয়সী মুস্তাফা মনোয়ারকে। গত ২০ মে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ১৫ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ৫ জুন তিনি বাসায় ফেরেন। তবে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি।

মেরী মনোয়ার জানান, বাসায় ফেরার মাত্র তিন-চার দিনের মাথায় মুস্তাফা মনোয়ারের শারীরিক অবস্থার আবার অবনতি ঘটে এবং ১৪ জুন আবারও তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। মেরী মনোয়ার বলেন, ‘শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৪ জুন ওনাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম। ওনার প্রেশার ও অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাচ্ছিল। চিকিৎসকেরা আইসিইউতে রাখার পরামর্শ দেন।’

মুস্তাফা মনোয়ার দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে এক অনন্য নাম। টেলিভিশনে শিশু-কিশোরদের জন্য অসংখ্য অনুষ্ঠান নির্মাণ করেছেন। বাংলাদেশে পাপেট শোয়ের পথিকৃৎ হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাঁকে।

মুস্তাফা মনোয়ার কর্মজীবন শুরু করেন পূর্ব পাকিস্তান চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে। পরে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপমহাপরিচালক, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ টেলিভিশন ঢাকার জেনারেল ম্যানেজার ও এফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া জনবিভাগ উন্নয়ন কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ও এডুকেশনাল পাপেট ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের প্রকল্প পরিচালকও ছিলেন তিনি।

সংস্কৃতি অঙ্গনে অসামান্য অবদানের জন্য ২০০৪ সালে একুশে পদক ছাড়াও দেশ-বিদেশে অসংখ্য সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন মুস্তাফা মনোয়ার।

আজকালের খবর/আতে










Advertisement
Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রাপা প্লাজা( ৭ম তলা), রোড-২৭ (পুরাতন) ১৬ (নতুন), ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৯।
ফোন: ৪১০২১৯১৫-৬, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor$gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor$gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রাপা প্লাজা( ৭ম তলা), রোড-২৭ (পুরাতন) ১৬ (নতুন), ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৯।
ফোন: ৪১০২১৯১৫-৬, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor$gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor$gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft