
মা গুলনাহার বেগমের স্বপ্ন ছিল ছেলে আতিক একদিন জনপ্রিয় শিল্পী হবেন। সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই ২০০৩ সালে প্রয়াত হন আতিকের মা। এরপর মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে ঢাকায় ছুটে আসেন আতিক, গার্মেন্টসে চাকরি নেন, পাশাপাশি চালিয়ে চান গানের চর্চা। ২০০৮ সালে ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতায় তৃতীয় রানারআপ হয়ে পরিচিতি পান। শুরু হয় গানের জগতে আতিকের নতুন যাত্রা। নিজের মৌলিক গানের পাশাপাশি সিনেমায়ও প্লেব্যাক করেন তিনি।
ক্লোজআপ ওয়ান তারকা আতিক এবার আসছেন একসঙ্গে ১০টি নতুন গান নিয়ে। এরই মধ্যে আটটি গানের কাজ শেষ করেছেন, চলছে বাকি দুই গানের কাজ। সব গানের রেকর্ডিং শেষে শুরু করবেন মিউজিক ভিডিওর কাজ। এরপর ধারাবাহিকভাবে মুক্তি দেবেন ইউটিউবে।
ঢাকায় এসে ২০০৫ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত শিল্পী তিমির নন্দীর কাছে গান শিখেছেন আতিক। বলা চলে তাঁর হাত ধরেই গানের পথে হেঁটেছেন আতিক। তিমির নন্দীর সহযোগিতায়ই আনিসুর রহমান টিপুর কথা, সুর ও সংগীত আয়োজনে তৈরি হচ্ছে আতিকের নতুন ১০ গান।
আতিক বলেন, ‘আমার বাবা ইসমাইল হোসেন মাদ্রাসার একজন শিক্ষক এবং বক্তা ছিলেন। বাবাকে না জানিয়েই গানের ভুবনে পা রেখেছিলাম। মূলত মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতেই গানের ভুবনে আসা। যদিও মা আমাকে শিল্পী হিসেবে দেখে যেতে পারেননি। কিন্তু আমি চেষ্টা ও চর্চা অব্যাহত রেখেছি। গানের এই জগতে আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে চাই আমি। তাই এবার একসঙ্গে ১০ গান নিয়ে আসছি। চেষ্টা করেছি গানগুলোর কথা ও সুরে বৈচিত্র্য রাখতে।’
আতিকের প্রথম মৌলিক গান ছিল ‘তোর কপালে যদি কেউ না দেয় টিপ’। গানটির কথা লিখেছেন ও সুর করেছেন আশরাফ বাবু। ‘আপন করে নে’ নামের একটি অ্যালবামও প্রকাশ করেছেন আতিক। প্লেব্যাক করেছেন ‘মা বড় না বউ বড়’ ও ‘শুটার’ সিনেমায়।
আজকালের খবর/আতে