
গায়িকা হিসেবে গ্র্যামি, বিলবোর্ড, কান্ট্রি মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসহ বিশ্বের সেরা সব সম্মাননা পেয়েছেন টেইলর সুইফট। এবার গীতিকার হিসেবেও বড় স্বীকৃতি পেলেন। সর্বকনিষ্ঠ নারী গীতিকার হিসেবে মাত্র ৩৬ বছর বয়সে মর্যাদাপূর্ণ সংরাইটারস হল অব ফেমে যুক্ত হওয়ার গৌরব অর্জন করলেন তিনি। ১১ জুন নিউইয়র্ক সিটির ম্যারিয়ট মার্কুইস হোটেলে আয়োজিত সংরাইটারস হল অব ফেমের বার্ষিক উৎসবে টেইলর সুইফটকে সম্মাননা জানানো হয়।
বিশ্বজুড়ে গীতিকারদের অবদান ও প্রতিভাকে সম্মান জানাতে ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সংরাইটারস হল অব ফেম। এ সংস্থায় নাম অন্তর্ভুক্তির স্বপ্ন সব গীতিকারেরই থাকে। কমপক্ষে ২০ বছর ধরে গান লিখছেন যাঁরা, তাঁরাই মূলত এ সংস্থার গর্বিত সদস্য হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। টেইলর সুইফটের প্রথম লেখা গান ‘টিম ম্যাকগ্রা’ প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে। ফলে গীতিকার হিসেবে এ বছর দুই দশক পূর্তি হয়েছে তাঁর।
সংরাইটারস হল অব ফেমের লালগালিচায় আকর্ষণীয় লুকে হাজির হন টেইলর সুইফট। হলিউড নির্মাতা স্টিভেন স্পিলবার্গ মঞ্চে এসে তাঁকে এই সম্মাননা গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানান। এরপর প্রায় ২১ মিনিটের দীর্ঘ ও আবেগঘন বক্তব্যে সুইফট তাঁর সংগীতযাত্রা ও পরিবারের ত্যাগের কথা স্মরণ করেন।
গীতিকার হিসেবে সুইফটের এই অন্তর্ভুক্তি তাঁর দীর্ঘ দুই দশকের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতিগুলোর একটি। এর আগে ১৯৮৩ সালে মাত্র ৩২ বছর বয়সে স্টিভি ওয়ান্ডার সর্বকনিষ্ঠ গীতিকার হিসেবে এই সম্মান পেয়েছিলেন। তবে নারীদের ক্যাটাগরিতে টেইলর সুইফটই এখন সংরাইটারস হল অব ফেমের সর্বকনিষ্ঠ গীতিকার।
এই সম্মাননার জন্য টেইলর সুইফটের কালজয়ী কিছু গান—যেমন ‘অল টু ওয়েল’ (১০ মিনিটের ভার্সন), ‘ব্ল্যাঙ্ক স্পেস’, ‘অ্যান্টি-হিরো’ ও ‘লাভ স্টোরি’কে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়েছে।
টেইলর সুইফট ছাড়াও অ্যালানিস মরিসেট, কেনি লগিনস, ক্রিস্টোফার ট্রিকি স্টুয়ার্ট, ওয়াল্টার আফানাসিফ, টেরি ব্রিটেন, গ্রাহাম লাইল এবং কিস ব্যান্ডের দুই সদস্য পল স্ট্যানলি ও জিন সিমন্সের মতো বিখ্যাত সংগীত ব্যক্তিত্বরা এ বছর সংরাইটারস হল অব ফেমে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
আজকালের খবর/আতে