নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে দাখিল পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে এক পরীক্ষার্থীসহ চারজন শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসাথে কেন্দ্রে নকল সরবরাহের অপরাধে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমান।
রবিবার (৩ মে) সকালে উপজেলার কেশবা ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে বাংলা ২য় পত্র পরীক্ষা চলাকালে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
নকল সরবরাহের দায়ে আটককৃতরা হলেন— মাগুড়া পাটোয়ারীপাড়া গ্রামের সহিদার রহমানের ছেলে শাকিল মিয়া (৩৪) এবং জলঢাকা উপজেলার টেঙ্গনমারী কুঠিপাড়া গ্রামের রশিদুল ইসলামের ছেলে লিমন ইসলাম (২১)।
অন্যদিকে বহিষ্কৃতরা হলেন— মাগুড়া মুন্সিপাড়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম। দায়িত্ব অবহেলার কারণে বহিষ্কৃত চার শিক্ষক হলেন:
মাগুড়া দোলাপাড়া আলিম মাদ্রাসার প্রভাষক মোস্তাফিজার রহমান। বাহাগিলি দারুসসুন্নত দাখিল মাদ্রাসার সহকারী মাওলানা মামুনুর রশিদ ও বাহাগিলি খামাতপাড়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার সাজেদুল ইসলাম।
পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে ইউএনও আরিফুর রহমান পরীক্ষার্থীর কাছে নকল এবং কক্ষ পরিদর্শকদের দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি ওই পরীক্ষার্থী ও অভিযুক্ত শিক্ষকদের বহিষ্কারের নির্দেশ দেন। একই সময়ে কেন্দ্রের বাইরে থেকে নকল সরবরাহের চেষ্টাকালে শাকিল ও লিমনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
ঘটনার বিষয়ে জানতে কেশবা ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের সচিব ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জাকির হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফ-উজ-জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লুৎফর রহমান জানান, নকল সরবরাহের দায়ে আটককৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আজকালের খবর/কাওছার আল হাবীব