মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে ওঠা বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন ও কাঠামো অবশ্যই গণতান্ত্রিক হওয়া প্রয়োজন। তিনি জানান, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গঠন করা হোক এটাই সরকারের প্রত্যাশা।
রবিবার (২২ মার্চ) টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ ও পঙ্গু হয়েছেন, তাদের বিষয়েও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কাজ করছে। তাদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সরকার আন্তরিক এবং এটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।
জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী যথাযথ মর্যাদায় দিবসগুলো পালন করা হবে।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, গণতান্ত্রিক ধারাকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রতিটি কমিটিই গণতান্ত্রিকভাবে গঠন করা জরুরি। এ বিষয়ে তিনি কাজ করছেন এবং সময় চেয়েছেন।
এসময় তিনি তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ায় তিনি সম্মানিত বোধ করছেন এবং সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে চান।
মন্ত্রী আরও জানান, মুক্তিযোদ্ধার তালিকা ও রাজাকারদের তালিকা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন রয়েছে। তিনি সদ্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, তাই বিষয়গুলো পর্যায়ক্রমে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকারসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা।
আজকালের খবর/বিএস