প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৩৬ পিএম (ভিজিট : )

ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি-এর স্কুল অব বিজনেসের ডিন ও প্রফেসর হিসেবে যোগদান করেছেন প্রফেসর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম ইকবাল আজিম, পিএইচডি, এনডিসি, পিএসসি, জি+। তাঁর এই নিয়োগ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করবে এবং ব্যবসায় শিক্ষা ক্ষেত্রে গুণগত মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
ড. আজিম নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা, একাডেমিক দক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক দূরদৃষ্টির সমন্বয়ে সমৃদ্ধ একজন শিক্ষাবিদ। তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি), ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) এবং আর্টিলারি সেন্টার অ্যান্ড স্কুল (এসিএস)-এর গ্র্যাজুয়েট। এছাড়া তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (আইবিএস) থেকে ফেলোশিপসহ পিএইচডি, কানাডা থেকে এমবিএ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার অব ডিফেন্স স্টাডিজ (এমডিএস) ও মাস্টার অব সায়েন্স টেকনিক্যাল (এমএসটি) ডিগ্রি অর্জন করেন।
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে যোগদানের আগে তিনি সিনার্জি ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে উপাচার্য (মনোনীত) এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস-এর ফ্যাকাল্টি অব আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন-এর একাডেমিক বিশেষজ্ঞ হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন। এছাড়া তিনি আর্টিলারি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলের কমান্ড্যান্ট এবং রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ-এর অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
কর্মজীবনে তিনি শিক্ষক, প্রশিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করেছেন, বহু স্নাতকোত্তর গবেষণা তত্ত্বাবধান ও মূল্যায়ন করেছেন এবং পাঠ্যক্রম উন্নয়ন ও একাডেমিক মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁর পিএইচডি গবেষণার ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত একটি গ্রন্থসহ একাধিক গবেষণাপত্র রয়েছে।
ড. আজিমের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাও সমৃদ্ধ। তিনি বিদেশে বিভিন্ন একাডেমিক কোর্সে অংশগ্রহণ, আন্তর্জাতিক একাডেমিক ও নিরাপত্তা ফোরামে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব এবং জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা ও পর্যবেক্ষণ মিশনে অংশগ্রহণ করেছেন। এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ সফরের মাধ্যমে অর্জিত বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা তিনি এখন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে কাজে লাগাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে, ড. আজিমের নেতৃত্ব স্কুল অব বিজনেসকে আরও গতিশীল করবে, গবেষণা ও শিল্পখাতের সঙ্গে সংযোগ বাড়াবে এবং শিক্ষার্থীদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করতে সহায়ক হবে। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার তাঁকে স্বাগত জানিয়ে একাডেমিক উৎকর্ষতায় তাঁর অবদানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।
আজকালের খবর/ এমকে