সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে ২০২০ এর মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে ২২ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। অবৈধভাবে নিয়োগ পেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ বিষয়টি নিয়ে নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম ক্ষোভ ও হতাশা। নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রাখী রানী সরকার। তিনি নেত্রকোনা জেলার বারহাট্রার স্থায়ী বাসিন্দা। জানা যায়, রাখী রানী নেত্রকোনা জেলার বারহাট্রা উপজেলার সঞ্জয় চন্দ্র সরকার ও লক্ষী রানী সরকার দম্পতীর মেয়ে। রাখী রানী সরকার জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের জয়দা গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে প্রতারণার মাধ্যমে নিয়োগ লাভ করেছেন। যার বাড়ি যেখানে-সেখানেই চাকরি হওয়ার কথা থাকলেও তাদের চাকরি হয়েছে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলায়।
প্রতারণার মাধ্যমে নাগরিকত্ব সনদ দিয়ে এই শিক্ষক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাকরি ভাগিয়ে নিয়েছেন।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্যাক্সের রশিদ সংগ্রহ করেন এবং সেই ট্যাক্স রশিদ ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেন,কিন্তু বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
রাখী রানী গণমাধ্যমকে বলেন আমি লেখা করেছি নেত্রকোনা বারহাট্রা নিজ এলাকা থেকে, সেখানে আমাদের জমি আছে, আমার বাবা সুনামগঞ্জে চাকরি করেন সেই সুবাদে আমরা সুনামগঞ্জে আসছি। এখানের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নাগরিকত্ব সনদ নিয়ে আমি চাকরি পেয়েছি, এখানে এখন আমরা বসবাস করি কিন্তু এখানে আমাদের বাড়ী নেই, বাকি কাগজপত্র ঠিক আছে।
আশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জমির উদ্দিন বলেন,রাখী রানী সরকার জয়দা গ্রামের বাসিন্দা না,তারা বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছেন।
আশারকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান আইয়ুব খান বলেন, তারা এই এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা নায়,আমি নাগরিকত্ব সনদ দেইনি, আগের চেয়ারম্যান এটা দিতে পারে বলে ধারণা।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম আব্দুর রহমান বলেন,ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে কেউ সরকারি চাকরি করতে পারবেনা। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজকালের খবর/একে