যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে চালু হওয়া ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির বেকার নারী পুরুষদের জীবন এখন মন্ত্রণালয়ের সংকীর্ণমনা কিছু কর্মকর্তাদের হাতে বন্দি। কর্মসূচিটিতে প্রান্তিক গ্রাম পর্যায়ে নিরীহ গরিব বিধবা, প্রতিবন্ধী, স্বামী পরিত্যক্তা নারীরা চাকরি করতো। ২ বছরের মাথায় কর্মসূচিটি বন্ধ করে দেয়ায় হাজার হাজার সদস্যরা না খেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
বাংলাদেশ বেকার মুক্তি পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান রাজা জানান, ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি স্থায়ীকরনের দাবিতে আন্দোলন করায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ১৬ এপ্রিল ২০২৪ ইং তারিখে কর্মসূচিটি প্রকল্প আকারে বাস্তবায়নের জন্য টপব্রাইটের মাধ্যমে সম্ভাব্যতা যাচাই করে পজেটিভ রিপোর্ট মন্ত্রণালয়ে দাখিল করলেও তা বাস্তবায়ন করেনি। এরপর পুনরায় বেকার সদস্যরা আন্দোলন করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে তিন দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি প্রদান করলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় গত ২৯শে অক্টোবর ২০২৪ ইং তারিখে তিন দফা বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনা নোটিশ জারি করেন- কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের কারনে তা বাস্তবায়নে বাধাগ্রস্ত হয়। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে বাংলাদেশ বেকার মুক্তি পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান রাজা- গং বাদী হয়ে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা নোটিশ বাস্তবায়নে হাইকোর্টে (১৫৫৭৯/২০২৫) নং রীট পিটিশন দাখিল করলে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসান আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা নিতে কোর্ট আদেশ জাবি করেন এবং চুড়ান্ত রায় পেতে আইনি লড়াই করে যাচ্ছেন সংগঠনটি।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি তথা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী ইশতেহার ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে হলে ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির অসহায় বেকার সদস্যদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিকল্প নেই।
আজকালের খবর/বিএস