হিট প্রকল্পের আওতাধীন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আবাসিক আটটি হলে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ৫ পাঁচ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ অপটিক্যাল ফাইবার কেবল স্থাপন কাজের উদ্বোধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান।
সোমবার (৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে শাহ আজিজুর রহমান হলের প্রধান ফটকে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।
আইসিটি সেল বরাতে জানা যায়, নানান জটিলতার কারণে এ কর্মসূচি আরম্ভ হতে বিলম্বিত হয়েছে। ফলে, নির্ধারিত সময়ের চেয়ে একটু বেশি সময় লাগতে পারে। তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীরা নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস পেতে পারে বলে আশ্বস্ত করেন। এ কর্মসূচি দুই ধাপে অর্থাৎ অপটিক্যাল ফাইবার কেবল স্থাপন ও ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী, প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. জালাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড. এ টি এম মিজানুর রহমান, আইসিটি সেলের পরিচালক শাহজাহান আলী সহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ফাইবার অপটিক্যাল স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠানের জুনিয়র সুপারভাইজার নাজমুল হোসাইন বলেন, ফাইবার স্থাপনের জন্য আমরা যে রোডম্যাপ তৈরি করেছি যেখানে কোন ধরনের চ্যালেঞ্জ নেই। এবং নতুন হল ও একাডেমিক ভবনের জন্যও ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনাও প্রস্তুত রয়েছে। আমাদের এই স্থাপনের কাজ শেষ করতে এক মাস লাগতে পারে।
আইসিটি সেল পরিচালক ড. শাহজাহান আলী বলেন, ইউজিসির অধীনে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই প্রজেক্টের কাজ চলছে কিন্তু মাঝে ডিভাইস আসতে দেরি হওয়া ও কিছু কারণে কাজটা একটু বিলম্বিত হচ্ছে। কাজ সম্পন্ন শেষ হতে দেড় মাস থেকে দুই মাস এরকম হয়তো লাগতে পারে। মেইনটেইনেন্স ও সার্ভিসিং এর জন্য ইউজিসির অধীনে পরিচালিত একটা কোম্পানি তারা এই কাজগুলো করবে। সার্বিক তত্ত্বাবধানে আইসিটি সেল থাকবে। ওই কোম্পানির লোক ক্যাম্পাসে সারাক্ষণ থাকবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮টি ছাত্র-ছাত্রীর আবাসিক হল রয়েছে এখানে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে ইন্টারনেট সার্ভিস নিশ্চিত করার জন্য কাজটি উদ্বোধন ঘোষণা করেছি। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে, শিক্ষার্থীদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিশ্চিতকরণ ও একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ আরো বেশি সম্বৃদ্ধ করবে। এ কার্যক্রমটি খুব দ্রুততার সাথে শেষ হবে। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রযুক্তিগত বিদ্যার ক্ষেত্রে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে।
এছাড়া নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা যেন টেকসই হয় এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রমে উন্নয়ন ঘটে সেই দিক বিবেচনায় নিয়ে বিস্তর পরামর্শ দেন তিনি।
আজকালের খবর/কাওছার আল হাবীব