বৃহস্পতিবার ২ জুলাই ২০২৬
নীরবে রেলের কোটি টাকা আত্মসাৎ, ম্যানেজ মানিতে তদন্তে অনিহা
প্রকাশ: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ২:৪৪ পিএম   (ভিজিট : ৬)
শুয়ে বসে রাজস্ব সাবাড়, নেই কোন তদন্ত। এ যেন লুটের জন্যই বদলি পদায়ন। চট্টগ্রাম গুডস পোর্ট ইয়ার্ড (সিজিপিওয়াই) আরএনবি'র নায়েল দুলাল-হাবিলদার কুতুব সিন্ডিকেটের অপরাধের গতি থামানোর যেন কেউ নেই। নেই কোনো আইন-কানুন। বেপরোয়া ভাবেই চলছে অন্যায় অপকর্মের সাথে রাষ্ট্রের টাকা লুটপাট। শাস্তি-বদলী সব থেমে যায় ঘুষ বিনিময়ের মাধ্যমে। 

মাস শেষে অবৈধ আয়ের ভাগবাটোয়ারা চেইন অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পর্যন্ত পৌঁছানোর কৌশল গত দেড় বছরেও বন্ধ হয়নি। এ যেন কেয়ামত হলেও দুলাল কুতুবের বদলি অসম্ভব বিষয়ে পরিনত হয়েছে। অথচ অন্যদের বেলায় পান থেকে চুন খসলেই বিনা কারণে জোন ট্রান্সফারের নজিরও কম নেই এই বাহিনীতে। 

সময় ২৫ সালের মার্চ মাস। সিজিপিওয়াই এর কথিত ক্যাশিয়ার খ্যাত নিরাপত্তা বাহিনীর নায়েক দুলাল'কে একটি নিউজের মন্তব্যের জন্য ফোন দেয়া হলে প্রতিবেদকের মা বোন তুলে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। তাতে একটি লিখিত অভিযোগ নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ ৬ মাস সময় নিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর তৎকালীন চীফ কমান্ড্যান্ট আশাবুল ইসলাম। চোরাই তেল চক্রের নিয়ন্ত্রণকারী, রেলের জায়গা দখলকারী, রেলের সীমানায় বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা থেকে চাঁদা সংগ্রহ, স্টাফ নির্যাতন, গম চুরি, তেল চুরি, লোহা চুরি ইত্যাদি অপকর্মের স্বর্গরাজ্য বানিয়ে আস্তানা গেড়ে বসেছে নায়েক দুলাল। নিজস্ব স্টাফ, আনসার সদস্য সহ সিনিয়রদের সাথেও তার উগ্র মেজাজের বিপরীতে কখনোই তাকে পেতে হয়নি ডিপার্টমেন্টের নূন্যতম শাস্তি। 

নাটকীয় কায়দায় তাকে চট্টগ্রাম জেনারেল শাখায় বদলীর অর্ডার করার একদিন পরে তখনকার চীফ কমান্ড্যান্টকে ঘুষের বিনিময়ে ম্যানেজ করে আবারো ফিরে গেছেন সিজিপিওয়াইতে। একের পর এক চুরিদারি, স্টাফ নির্যাতন, গলাবাজি, ভারপ্রাপ্ত সিআই এর নামে লক্ষ টাকার চাঁদা সংগ্রহ করা সহ লাগাতার অপকর্মের স্বর্গরাজ্য বানিয়ে তোলে সিজিপিওয়াই'তে। 

এই আস্কারা এমন পর্যায়ে গিয়েছে যে, সামান্য এক তুচ্ছ বিষয়ে গোয়েন্দা শাখার চীফ ইন্সপেক্টর ইয়াসিন উল্লাহ'কে ভাষাগত আচরণে নাজেহাল করেও পার পেয়ে গেছে সাবেক চীফ কমান্ড্যান্টের আশীর্বাদে। একের পর এক অভিযোগ উঠার পরেও তাকে সেখান থেকে সরানোর বিপক্ষে কাজ করে গেছে সিআই থেকে চীফ কমান্ড্যান্ট পর্যন্ত। 

স্টাফ নির্যাতন ও সিজিপিওয়াই'র সমস্ত চুরি- চাঁদাবাজি কমানোর জন্য বিভিন্ন স্টাফরাও বিভিন্ন সময় তাদের সিনিয়রদের বলেও কোনো সমাধান পায়নি। অভিযোগ উঠলেই লোক দেখানো তদন্ত ও কারো কারো মায়া কান্নায় তাকে আবারো রেখে দেয়া হয় স্বযত্নে সোনার ডিম পাড়া হাঁসের আদলে। বিভিন্ন স্টাফ সূত্রে জানা যায়, অফিসের কাজের বাহিরে দুলালকে দিয়ে সিআই-হাবিলদারদের ব্যক্তিগত কাজ, বাজার করা, কাপড় ধোয়া, ভাত রান্না, বাথরুম-টয়লেট পরিষ্কারের মত কাজ জোর করে করানো বদলীর ভয় দেখিয়ে। বিনিময়ে তাকেও প্রতি মাসে ১০-১৫ দিনের ভূয়া টিএ বিল তৈরী করে দিতো কুতুবউদ্দিনের মাধ্যমে। 

অভিযোগ উঠেছিলো আনসার সদস্য মতলব এর কাছে লোহা চুরিতে ধরা খাওয়া,  টিএক্সআর স্টাফ পলাশের কাছে হাতেনাতে তেল চুরিতে ধরা খাওয়া, তেল চুরি নিয়ে টিএক্সআর কর্মী রুবেলের সাথে মারামারি সহ সেখানে কর্মরত আরো একজন সুইপারের সাথেও চুরির বিষয়ে প্রতিবাদে নির্যাতনের নালিশ সহ সময়ে অসময়ে নানান অপরাধ মূলক তথ্য উঠার পরেও দুলাল এখনো অধরা। 

চাকরির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দুলাল একই সার্কেলে রয়ে গেছে বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন সিআই হাবিলদারদের ক্যাশিয়ার পরিচয়ে। সিনিয়র সাব ইন্সপেক্টর পদধারী একজন বলেন, এটা হচ্ছে ডিপার্টমেন্টের পঁচা সদস্য। এদের ব্যবহার করতেই এখানে রেখে বাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট করা হচ্ছে কারো কারো ব্যক্তিগত স্বার্থে৷ জেনারেল শাখার চীফ ইন্সপেক্টর বলেন, আমি একাধিক বার আশাবুল স্যারকে বলেছিলাম তাকে এই জায়গায় থেকে সরিয়ে বাহিনীর ভাবমূর্তি রক্ষা করতে। কিন্তু চীফ স্যার দেখি অমুকের মন রক্ষার্থে উদাসীন। 

হাবিলদার কুতুব উদ্দিন প্রায় দীর্ঘ ১ যুগের মত নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই লুট করে যাচ্ছে সরকারের রাজস্ব। তার এই দীর্ঘদিনের কৌশলগত চুরিতে এখন পর্যন্ত রেলের ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ হয়েছে।

নিজের নামে ও বিভিন স্টাফদের নামে ভুয়া টিএ বিল বানিয়ে রাজস্ব আত্মসাৎ করে গেছে। এছাড়া সেখানে কর্মরতদের মাঝে যারা ভগবান ডিউটিতে থাকতো তাদের নামের ভুয়া টিএ বিল তৈরী সহ তাদের হাজিরা সাক্ষর দেখিয়ে দিয়ে বিনা পরিশ্রমে রাষ্ট্রের টাকা আত্মসাৎ করে, সেখান থেকে ওই সার্কেলের সিআইদের নামে জন প্রতি ১৮-২০ হাজার টাকা বাগিয়ে নিতো। শুধু তাই নয়, প্রতিটি ভুয়া টিএ বিল বাবদ আলাদা করে ৩০% বিল রেখে দিতো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের খরচ বাবদ। যেই টাকা পোষ্টিং হাবিলদার-সিআই থেকে শুরু করে কমাড্যান্ট চীফ কমান্ড্যান্ট পর্যন্ত চেইন অনুযায়ী পৌঁছে দেয়া হতো মাস শেষে। এখান থেকে কুতুবউদ্দিনের জন্য আলাদা ৩% রেখে দেয়া হতো। এই সিন্ডিকেটের অনিয়ম ছড়িয়ে পড়েছে কোনো কোনো সার্কেলে। 

বিধি অনুযায়ী হাবিলদার কুতুবউদ্দিন অফিস কেরানীর কাজ করে কোনো ভাবেই তার নিজের নামে ভুয়া টিএ বিল বানাতে পারে না। একই ভাবে যারা কর্মরত সার্কেল থেকে ৭-৮ কিলোমিটার দূরবর্তী স্থানে যায় না বা চুক্তিভিত্তিক কথিত ভগবান ডিউটিতে থাকে, তাদেরকে উপস্থিত দেখিয়ে তাদের নামেও ভুয়া টিএ বিল তৈরী করে গেছে দীর্ঘ ১ যুগ ধরে। 

একজন স্টাফের নামে নূন্যতম ভুয়া টিএ বিল ১৫ হাজার করে তৈরি করলে বছরে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ হয়। গড়ে মাত্র ১০ জন স্টাফের নামে ১ যুগে ভুয়া টিএ বিল তৈরীতে সরকারের ২ কোটি টাকার চেয়ে বেশী অর্থ আত্মসাৎ করা হয়ে গেছে! 

এএসআই হেলাল উদ্দিন'এর নামেও আছে এমন বিস্তর অভিযোগ। অর্থ সংগ্রহ সহ তার নামেও তৈরী হয় ভুয়া টিএ বিল। সদ্য যোগদানকারী হাবিলদার পংকজ রায়ের কিছু অনিয়ম দৃষ্টি গোচর হচ্ছে। 

এমন অনিয়ম লুটপাটের তথ্য গত দেড় বছর আগে দিলেও তৎকালীন চীফ কমান্ড্যান্ট আশাবুল ইসলাম বিষয়টি মোটেও পাত্তা দেয় নি। সে সময় বিষয়টি নিয়ে সঠিকভাবে তদন্ত করলে কমকরে হলেও সরকারের ৩-৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা থেকে বেঁচে যেতো। 

তদন্তে ভুয়া রিপোর্ট দিয়ে বারে বারে সরকারি অর্থ আত্মসাৎকারীদের রক্ষা করা হয়ে থাকে।  অথচ স্পষ্ট ভাবে ধরাই যায় কর্মরত স্টেশন ত্যাগ না করে কিভাবে নিয়মিত বহিভূত ভাবে এই টাকার বিল তৈরী করা হয়। দ্বিতীয় একটি সূত্রে আরো স্পষ্ট ভাবে এই চুরি ধরতে প্রতিটি স্টাফের হাতে থাকা মোবাইল নাম্বার দিয়ে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিদিনের লোকেশন ট্র্যাকিং করেও এদের সনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনা যাবে। 

একই ভাবে এই যাবৎ যারা ভুয়া টিএ বিল তৈরী করেছে, তাদের বিষয়ে রেলের তৃতীয় কোনো সংস্থাকে দিয়ে অডিট করে অর্থ আত্মসাৎ কারীদের বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা নেয়া যায়। সেই সাথে আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধার করে রাষ্ট্রের কোষাগারে খুব সহজে জমা করে একটি দৃষ্টান্ত নজির সৃষ্টি করা যায়। 

কি কারণে অর্থ আত্মসাৎ ও সকল অনিয়মের বিষয়ে আইনগত কোনো ব্যবস্থা কেন নেয়া হচ্ছে না, তা এখন হাস্যরসে পরিনত হয়েছে। 

নাটকীয় কায়দায় কিছুদিন পরে আগের মত দুলাল-কুতুব সিন্ডিকেট দিয়ে আবারো আত্মসাৎকৃত সরকারি টাকা ভাগাভাগি করতে এদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত নেয়া হয়নি কোনো ব্যবস্থা। শাস্তি এড়াতে আইওয়াশ করে কুতুব'কে সিজিপিওয়াই এর আওতাধীন রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ)'তে সরানোর পায়তারা করছে। 

চোখে ধুলো দেয়া অস্থায়ী আদেশ দিয়ে দুলাল'কে সিজিপিওয়াই এর সাব সার্কেল সিপিএ এর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তড়িঘড়ি করে। সিপিএ'তে কর্মরত একজন স্টাফ জানান, স্যারেরা একটা মুছিবতকে এখানে পাঠাইছে। এত দিন ভালো ছিলাম। এখন চোর চক্রকে দিয়ে আবার চুরি করে আমাদের রাতের ঘুম হারাম করে দিবে। বিনা দোষে সাসপেন্ডও হতে পারি।


২৫ সালের মার্চ মাসে গণমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে কর্মরত পোষ্টিং হাবিলদার জসীম উদ্দিন সরকার'কে সরিয়ে দিলেও দুলাল-কুতুবকে রেখে দেয়া হয়েছে এখন পর্যন্ত। নাটকীয় কায়দায় প্রায় দেড় বছর সিজিপিওয়াই'তে ডিউটি বন্টন কারী পোষ্টিং হাবিলদার পদে কাউকে পদায়ন করা হয়নি দুলাল-কুতুব সিন্ডিকেটের কারণে। একই পদে বিভিন্ন হাবিলদার সেখানে যেতে চাইলে নানান অজুহাতে সেখানে কাউকে পদায়ন করা হয়নি। 

যার ফলে ডিউটি বন্টন থেকে শুরু করে যাবতীয় অপকর্মে আরো বেপরোয়া হয়ে যায় দুলাল-কুতুব সিন্ডিকেট৷ ডিউটিতে ১০-১৫ মিনিট দেরিতে আসলেও ভারপ্রাপ্ত সিআই এর অনুপস্থিতিতে দুলাল নিজেই স্টাফদের অকথ্য ভাষা ব্যবহার সহ কড়া ভাষায় হোয়াটসঅ্যাপে স্টাফদের ছবি সহ গ্রুপে রিপোর্ট দিতো। একাধিক স্টাফদের তথ্য মতে সেখানে পোষ্টিং হাবিলদার পদে কাউকে পদায়ন না করার জন্য প্রতি মাসে সার্কেল সিনিয়র থেকে বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনৈতিক সুবিধা দিয়ে আসতো এই সিন্ডিকেট। 

আগের চীফ কমান্ড্যান্ট পরিবর্তন হলেও বর্তমান চীফ কমান্ড্যান্ট জহিরুল ইসলামও একই ভাবে জিম্মি আছে দুলাল-কুতুব-হেলাল সিন্ডিকেটের কাছে। মূলত সিজিপিওয়াই'তে কর্মরত এক সদস্য রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে এসব অপরাধকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে। যার প্রভাবে সেখানে জিম্মি পুরো সরকারি আইন। লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে পদায়ন ও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় কেউ কেউ বনে গেছেন আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ। যার বিপরীতে মেধাবী কিংবা সিনিয়রদের পদায়ন রয়ে যায় হাসির খোরাক হিসাবে। 

এসব তথ্য তুলে ধরলে গণমাধ্যম কর্মীদের ভয়ভীতি হুমকি-ধামকি, পথ রোধ সহ ব্যক্তিগত বা পেশাদারিত্বের ছবি-তথ্য দিয়ে জাজমেন্ট করার মত দুঃসাহস দেখায় কেউ কেউ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাহিনীর সিনিয়র এক কর্মকর্তা জানান, আপনি আমাদের জিএম স্যারকে জানান। স্যার চাইলে তাদের এখান থেকে সরিয়ে দিতে পারেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে রাষ্ট্রের টাকা আত্মসাৎ এর শাস্তি হিসাবে রিমুভ ফরম সার্ভিসও হয়ে যেতে পারে। আপনি আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে নালিশ অভিযোগ দিয়ে সুরাহা পাবেন না। কারণ চাপে পড়ে লোক দেখানো শাস্তি দিয়ে পরে অনৈতিক সুবিধার মাধ্যমে আপিল করে সেটি নীরবে সমাধান করে ফেলা হয়। 

এতবড় অপরাধ করার পরেও কোন ক্ষমতায়, কাদের ছত্রছায়ায় দুলাল-কুতুব-হেলাল সিন্ডিকেটের নামে নিরপেক্ষ তদন্ত হবে না এবং ভুয়া টিএ বিলের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা সরকারি টাকা কেন উদ্ধার করা হবে না সেই প্রশ্নই এখন পূর্বাঞ্চল রেল মহাব্যবস্থাপক থেকে রেল মহাপরিচালকের কাছে।

আজকালের খবর/এমকে







আরও খবর


Advertisement
Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রাপা প্লাজা( ৭ম তলা), রোড-২৭ (পুরাতন) ১৬ (নতুন), ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৯।
ফোন: ৪১০২১৯১৫-৬, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor$gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor$gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রাপা প্লাজা( ৭ম তলা), রোড-২৭ (পুরাতন) ১৬ (নতুন), ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৯।
ফোন: ৪১০২১৯১৫-৬, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor$gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor$gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft