বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ছৈয়দুল আমিনকে একটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় আসামি করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা ছাত্রদলের একাংশ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ১০ জুন রাত আনুমানিক ১২টার দিকে চাকঢালা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইসমাইলের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজনের বিরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে ওই ঘটনায় গত ১৫ জুন নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ছৈয়দুল আমিনকে তৃতীয় আসামি করা হয়েছে।
মিজানুর রহমান দাবি করেন, ছৈয়দুল আমিনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, ঘটনার সময় ছৈয়দুল আমিন নাইক্ষ্যংছড়িতে ছিলেন না; বরং ঘটনার দুই থেকে তিন দিন আগে থেকেই তিনি ঢাকার ফকিরাপুল এলাকার একটি হোটেলে অবস্থান করছিলেন। এ বিষয়ে তাদের কাছে প্রয়োজনীয় প্রমাণও রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, মামলার বাদী মোহাম্মদ ইসমাইলের সঙ্গে ছৈয়দুল আমিনের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ও মামলা চলমান রয়েছে। সেই পূর্বশত্রুতার জের ধরেই তাকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ছাত্রদল নেতারা।
বক্তারা বলেন, ছৈয়দুল আমিন বিগত ১৭ বছর ধরে রাজনৈতিকভাবে নানা নির্যাতন ও একাধিক মামলার শিকার হয়েছেন। বর্তমানে আবারও তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে একটি মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে মামলা থেকে ছৈয়দুল আমিনের নাম প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। অন্যথায় এ ঘটনার প্রতিবাদে বৃহত্তর কর্মসূচি ও আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন ছাত্রদল নেতারা।
আজকালের খবর/বিএস