দেশের স্বনামধন্য শিল্প প্রতিষ্ঠান দেশবন্ধু গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান জিএম হোল্ডিংস লিমিটেড দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রিয়েল এস্টেট, হসপিটালিটি, পর্যটন ও শিল্প অবকাঠামো খাতে একাধিক বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। কোম্পানির মালিকানাধীন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জমিতে এসব প্রকল্প গড়ে তোলা হবে।
প্রতিষ্ঠানটির চলমান রূপান্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় রিয়েল এস্টেট পরামর্শ ও বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান জোন্স ল্যাং লাসাল (জেএলএল)-এর সঙ্গে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য চুক্তি সম্পাদন করেছে জিএম হোল্ডিংস। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রকল্পগুলোর পরিকল্পনা ও উন্নয়নে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা এবং বিশ্বমানের জ্ঞান ও দক্ষতার সমন্বয় ঘটবে।
প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকার দক্ষিণখানে আধুনিক কনডোমিনিয়াম প্রকল্প ‘দাখিনা’, ধানমন্ডির ২৭ নম্বর (পুরোনো) সড়কে রাপা প্লাজার স্থানে একটি বিলাসবহুল বুটিক হোটেল, উত্তরখানে ১৪ একর জমির ওপর একটি পাঁচ তারকা রিসোর্ট, বগুড়ায় পাঁচ তারকা হোটেল ও শপিং মল এবং রংপুরে আন্তর্জাতিক মানের একটি অ্যামিউজমেন্ট পার্ক। এছাড়া সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুলে একটি শিল্পপার্ক প্রতিষ্ঠার কাজও এগিয়ে নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি, যা শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে বগুড়ার হসপিটালিটি প্রকল্পের জন্য বিশ্বখ্যাত হোটেল ব্র্যান্ড হিলটনের কাছ থেকে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) পাওয়া গেছে, যা জিএম হোল্ডিংসের হসপিটালিটি খাতে অগ্রযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। অন্যদিকে, দক্ষিণখানের ফ্ল্যাগশিপ আবাসন প্রকল্প ‘দাখিনা’ বাস্তবায়নে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রকৌশল ও নির্মাণ প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেড (সিনোহাইড্রো)-এর সঙ্গে ইপিসি চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। বৃহৎ অবকাঠামো ও রিয়েল এস্টেট প্রকল্প বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা প্রকল্পটির মান ও গুণগত উৎকর্ষ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
দেশবন্ধু গ্রুপের দীর্ঘদিনের সুনাম, অভিজ্ঞতা ও শক্তিশালী ব্যবসায়িক ভিত্তির ওপর ভর করে জিএম হোল্ডিংস দেশের রিয়েল এস্টেট ও অবকাঠামো খাতে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে কাজ করছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি এমন সব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, যা দেশের নগরায়ণ, পর্যটন শিল্পের বিকাশ, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।
আজকালের খবর/বিএস