বিশ্বের শীর্ষ ইসলামিক অর্থনীতির দেশ হিসেবে ২০২৫ সালেও মালয়েশিয়া তার অবস্থান ধরে রেখেছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্টেট অব দ্য গ্লোবাল ইসলামিক ইকোনমি রিপোর্ট ২০২৪/২০২৫-এ এই স্বীকৃতি পাওয়া দেশটির শক্তিশালী ইসলামিক আর্থিক ব্যবস্থা, হালাল শিল্প, উদ্ভাবন এবং উন্নয়নভিত্তিক অর্থনৈতিক পরিবেশের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।
মালয়েশিয়ার আবাসন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এনগা কর মিং বলেছেন, এই অর্জন আন্তর্জাতিক মহলের কাছে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সুস্পষ্ট অর্থনৈতিক নীতি এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতার প্রতি আস্থার বহিঃপ্রকাশ। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বৈশ্বিক ইসলামিক অর্থনীতিতে মালয়েশিয়ার শীর্ষস্থান ধরে রাখা প্রমাণ করে যে, ‘মালয়েশিয়া মাদানি’ দর্শন দেশের উন্নয়নকে একটি শক্তিশালী, প্রগতিশীল এবং আন্তর্জাতিকভাবে সম্মানিত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করেছে।
এনগা কর মিং বলেন, এটি শুধু একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের অর্জন নয়; বরং জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকল মালয়েশিয়ানের জন্য গর্বের বিষয়। দেশের সুশাসন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নীতির ফলেই এই স্বীকৃতি এসেছে। তিনি আরও বলেন, কয়েকটি বৃহৎ মুসলিম দেশের চেয়েও এগিয়ে থেকে মালয়েশিয়ার এই অবস্থান দেশের অর্থনৈতিক খাতগুলোর প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থারই প্রতিফলন।
তিনি জানান, সরকার মানসম্মত আবাসন ব্যবস্থা, টেকসই নগর উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নের বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে উন্নয়নের ধারা আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল যাতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, মাদানি সরকার দেশের সমৃদ্ধিকে জনগণের কল্যাণ, বৃহত্তর অর্থনৈতিক সুযোগ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নে রূপান্তরিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। আবাসন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী দেশবাসীর প্রতি স্থিতিশীলতা ও জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, উন্নয়ন কর্মসূচির প্রতি অব্যাহত সমর্থন থাকলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মালয়েশিয়ার মর্যাদা আরও সুদৃঢ় হবে।
আজকালের খবর/কবির