ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম মেঘনা নদী থেকে দৈনিক ৫০ কোটি লিটার সরবরাহ সক্ষমতা সম্পন্ন নির্মাণাধীন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার পরিদর্শন করেছেন।
এ সময় ব্যবস্থপনা পরিচালক ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তারা প্রথমে একই জেলার আড়াইহাজার উপজেলার বিষনন্দীতে মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত ইনটেক পয়েন্ট পরিদর্শন করেন। তারপর রূপগঞ্জে প্লান্ট এরিয়া পরিদর্শন করেন তারা।
এ সময় প্রকল্প পরিচালক ওয়াহিদুল ইসলাম মুরাদসহ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা ব্যবস্থাপনা পরিচালককে প্লান্টের বিভিন্ন দিক ঘুরিয়ে দেখান ও এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
প্রকল্প কাজ পরিদর্শন করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সেই সাথে ঢাকার পূর্বাঞ্চলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আংশিক পানি সরবরাহের আশা প্রকাশ করেন।
এজন্য প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ আলোচ্য সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন আমিনুল ইসলাম। এজন্য তিনি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্প থেকে পানি সরবরাহ চালু হলে ঢাকা মহানগরীর পূর্বাঞ্চলের মানুষ সর্বাংশে উপকৃত হবে।
সেই সাথে ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর নির্ভরতা কমিয়ে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার যে লক্ষ্য ঢাকা ওয়াসা নির্ধারণ করেছে, তা অর্জন করা সম্ভব হবে। এ শোধনাগার চালু হলে কয়েকশ গভীর নলকূপ বন্ধ হয়ে যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগারের প্রথম ফেজ থেকে দৈনিক ৫০ কোটি লিটার পানি রাজধানীতে সরবরাহ করা হবে এবং একই শোধনাগারের সেকেন্ড ফেজ থেকেও সমপরিমাণ পানি দৈনিক রাজধানীতে সরবরাহ করা হবে।
আজকালের খবর/বিএস