সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে রোগীর ভিড় বাড়ছে হাসপাতালে। এরমধ্যে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৯ দিনে ২০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে দু'জনের অবস্থা অবনতি হওয়ায় পাঠানো হয়েছে ফরিদপুর মেডিক্যালে। তবে উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া সকলেই হামে আক্রান্ত নন বলেও জানান চিকিৎসকেরা।
বর্তমান কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩ জন রোগী। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর অধিকাংশই শিশু ও কিশোর।
ভর্তি রোগীর স্বজনরা বলছেন, শিশুর জ্বর, সর্দি কিংবা ডায়রিয়া হওয়ার ৪ থেকে ৫ দিন পর সকলের নজরে এসেছে হাম আক্রান্তের বিষয়টি। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ খাওয়াতে নিষিদ্ধ থাকলেও অনেকেই স্থানীয় ফার্মেসী থেকে চিকিৎসা নিয়ে বিপদে পড়েছেন।
কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এখন পর্যন্ত ২০ জন রোগী হাম উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে দু'জনকে ফরিদপুর রেফার করা হয়েছে। কিছু রোগী সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন।
তিনি আরও বলেন, দেশব্যাপী হাম উপসর্গ যে হারে বেড়েছে, সেই অনুযায়ী আমাদের কাশিয়ানী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী সংখ্যা স্বাভাবিক। হাম একটি ছোঁয়াছুঁয়ি রোগ। হাঁচি কাশির মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে। তাই অভিভাবকদের হাম রোগের লক্ষণ গুলোর বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে। শিশু অসুস্থ হওয়ার এক দু দিনের মধ্যেই হাসপাতালে নেওয়া পরামর্শও দেন তিনি।
আজকালের খবর/ রাশেদুল মিলন