নীলফামারী-রংপুর দুই জেলার সীমান্তবর্তী একটি গ্রামের সয়রাগন্ধা। গ্রামটি কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নে পশ্চিম দলিরাম সয়রাগন্ধা মৌজায় অবস্থিত।
শিক্ষাদীক্ষা দিক থেকে এগিয়ে থাকলেও যোগাযোগ ব্যবস্থায় পিছিয়ে রয়েছে গ্রামটি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে গ্রামটিতে রয়েছে ৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি কমিউনিটি ক্লিনিক। জন সংখ্যার দিক থেকে হিন্দু মুসলিমসহ প্রায় ৪ হাজার মানুষের বসবাস রয়েছে গ্রামটিতে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে নীলফামারী-৪ আসনে অধিকাংশ সময় কিশোরগঞ্জ উপজেলায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও রাস্তাঘাটসহ যোগাযোগ ব্যবস্থায় লাগেনি কোন উন্নয়নের ছোয়া।
মন্ডল পাড়া থেকে সয়রাগন্ধা হয়ে জানকি বাবুর পাড়া পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা কাচা রয়েছে একটু বৃষ্টি হলে কাদা পানি মিশ্রিত হয়ে উক্ত রাস্তা চলাচলের অনপযোগি হয়ে পড়ে। শুকনো মৌসুমে কোন রকম মটরসাইকেল,বাইসাইকেল,ভ্যান-রিকসা চলাচল করলেও বর্ষা মৌসুমে এগুলো চলাচল তো দুরের কথা সাধরণ মানুষ চলচল বন্ধ হয়ে যায়।
গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মতিন মিশনসহ কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানাযায়, মেম্বার-চেয়ারম্যানরা ভোট আসলে আশ্বাস দেয় ভোট চলে গেলে রাস্তার কাজ হয় না ।
এলাকাবাসীর দূর্ভোগের কথা চিন্তা করে মাজহারুল ইসলাম নামের একজন নিজ উদ্যোগে রাস্তাগুলো সংস্কর করে দেওয়া চেষ্টা করছেন।
মাজহারুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন এসব কাজ জনপ্রতিনিধিদের করার কথা কিন্তু তাদের এ বিষয়ে খোজ খবর নেয় না। মানুষের চলাচলেল দূর্ভোগ দেখে নিজস্ব অর্থায়নে এই কাজ গুলো করেছি আগামি দিনে আরও করারা চেষ্টা করছি।
এ বিষয়ে গাড়াগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান জোনাব আলীর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন ওই রাস্তাটির এলজিইডি অফিসে প্রকল্প দেয়া আছে।
রাস্তাটি পাকা করনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশুহস্তপেক্ষ কামনা করছেন এলাকাবাসী।
আজকালের খবর/রাশেদুল মিলন