নীলফামারীর চিলাহাটি থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হলদিবাড়ি রুটে রেল যোগাযোগ বন্ধ গত দেড় বছর ধরে। এই রুটে পাথরসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির পাশাপাশি চলাচল করত যাত্রীবাহী মিতালি এক্সপ্রেস। ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় ভারতের সঙ্গে পণ্য পরিবহনে বাড়তি ব্যয়ের পাশাপাশি রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। তাই দ্রুত এই রুটে রেল যোগাযোগ পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।
এক সময় বাংলাদেশ-ভারত রেল যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট ছিল চিলাহাটি স্টেশন। ২০২১ সালে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথ চালুর পর যাতায়াত শুরু করে মালবাহী ট্রেন। আর পরের বছর চালু হয় যাত্রীবাহী মিতালী এক্সপ্রেস।
৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর বন্ধ হয় চিলাহাটি দিয়ে ভারতের সঙ্গে রেল যোগাযোগ। এর আগে ট্রেনে করে ভারত থেকে পাথরসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি হত।
স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, চালুর তিন বছরে শুধু পাথর পরিবহন থেকেই সরকারের আয় হয় ১৩ কোটি টাকা। বর্তমানে চিলাহাটি থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে ট্রেন চললেও ভারতের সঙ্গে ট্রেন না চলায় আন্তর্জাতিক মানের স্টেশনটির সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগছে না।
স্থানীয়রা জানান, ভারতের সঙ্গে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রুটে রেল যোগাযোগ বন্ধ হওয়ার কারণে এ এলাকার যে একটা অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ছিল, সেই আশার আলো নিভে গেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এটি আবার চালু করা উচিত।
আন্তর্জাতিক এই রেলপথ পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা চলছে, জানালেন জেলা প্রশাসক।
নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, আমরা নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ে জানিয়েছি যেন এ রেলপথ চালু করা হয়। পাশাপাশি এখানে যেন ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়াও চালু করা হয়। এটি সরকারি উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তের বিষয়। আশা করি, দ্রুতই এ রেলপথ চালু করা হবে।
আজকালের খবর/বিএস