সীমান্তের ওপারে ভারতে মায়ের মৃত্যু হয়েছে। শেষবারের মতো মায়ের প্রিয় মুখ দেখার সুযোগ পান এপারে বসবাসকারী দুই মেয়ে।
সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৩৩ বিজিবি) ও ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) যৌথভাবে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সীমান্তের জিরো পয়েন্টে এ সাক্ষাতের আয়োজন করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভারতের পশ্চিম বঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার ঘোজাডাঙ্গা গ্রামের গফুর মন্ডলের স্ত্রী জরিনা খাতুন (৯৮) মঙ্গলবার রাতে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান। তার দুই মেয়ে শিরিনা খাতুন ও আলেয়া খাতুন বৈবাহিক সূত্রে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার হাড়দ্দহা (ভাড়ুখালী) গ্রামে বসবাস করেন। মায়ের মৃত্যু খবর পেয়ে তারা বিজিবির কাছে আবেদন জানান। একই সঙ্গে ভারতের পারিবারিক পক্ষ থেকেও বিএসএফের কাছে আবেদন করা হয়।
উভয় পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মানবিক বিবেচনায় বিজিবির সাতক্ষীরা ৩৩ ব্যাটালিয়নের ভোমরা বিওপি এবং ভারতের ঘোজাডাঙ্গা বিএসএফ ক্যাম্প যৌথভাবে জিরো পয়েন্টে মরদেহ আনার ব্যবস্থা করে।
বিজিবি ও বিএসএফের তত্ত্বাবধানে উভয় পরিবারের সদস্যরা সীমিত সময়ের জন্য সাক্ষাৎ ও কথা বলার সুযোগ পান। পরে মরদেহটি ভারতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
কাওছার আল হাবীব/ আজকালের খবর