গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া–টুঙ্গিপাড়া) আসনে গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী আবুল বসার দাড়িয়া বাসু বলেছেন, “আমি যদি নির্বাচিত হই, খুব বেশি কাজ করতে পারবো কিনা জানি না। অনেকে বড় বড় আশ্বাস দেন, দাপটের কথা বলেন। তবে একটি কাজ আমি অবশ্যই করবোকোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া থেকে ‘সংখ্যালঘু’ কথাটাই উঠিয়ে দেব।”
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার মাঝবাড়ি ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট মাঠে হিরণ ইউনিয়নের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “আমাদের এলাকা হিন্দু সম্প্রদায় অধ্যুষিত। তারা নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে মনে করেন। আমি নির্বাচিত হলে এই এলাকায় আর কেউ সংখ্যালঘু থাকবে না। আমাদের সবার পরিচয় হবে—আমরা একে অপরের ভাই।”
তিনি আরও বলেন, “এখানে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আমি একমাত্র কোটালীপাড়ার সন্তান। আপনাদের সুখে-দুঃখে আগেও ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো।”
রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “৫ আগস্টের পর কোটালীপাড়ায় ব্যাপক মামলা বাণিজ্য হয়েছে। এই বিষয়টি সবাই মনে রাখবেন। আমরা এই অপসংস্কৃতির অবসান চাই।”
কোটালীপাড়া–টুঙ্গিপাড়ার রাজনৈতিক ইতিহাস উল্লেখ করে আবুল বসার দাড়িয়া বলেন, “আগে এখান থেকে এমপি হলে প্রধানমন্ত্রী হতেন। আমি হয়তো কখনো প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীও হতে পারবো না। কিন্তু আমি এমপি হলে আপনারা বলতে পারবেন—আপনাদের কারো চাচা, কারো ভাই, কারো ভাতিজা এমপি।”
এলাকার বর্ষীয়ান মুরব্বি শাজাহান দাড়িয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মো. আলী তোহা, জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জালাল দাড়িয়া, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা অপু মুন্সী, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যসচিব সাইদুর রহমান, সমাজসেবক সর্বেশ্বর মন্ডল প্রমুখ।
আজকালের খবর/ এমকে