
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশ একে অপরের সঙ্গে সমার্থক। তার জীবন, সংগ্রাম ও আদর্শের মধ্যেই আধুনিক বাংলাদেশের আত্মপরিচয় নিহিত। মহান মুক্তিযুদ্ধে একজন বীর সেনানায়ক হিসেবে শহীদ জিয়াউর রহমান রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তিনি রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে আত্মমর্যাদাশীল, উৎপাদনমুখী ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে রূপান্তরের সাহসী উদ্যোগ গ্রহণ করেন। শহীদ জিয়া বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে জনগণকে রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেন। বিশেষ করে গ্রামবাংলাভিত্তিক উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, স্বনির্ভর অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপন এবং জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশ—সবকিছুতেই তার অবদান আজও বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তার মূল ভিত্তি হয়ে আছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে নগরীর রেজিস্ট্রারী মাঠে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকীর নিজ উদ্যোগে ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ক্ষমতার রাজনীতি নয়, দায়িত্বের রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন। তার দেশপ্রেম, সততা ও নেতৃত্ব আজকের সংকটময় সময়ে নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। শহীদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে আমাদের অঙ্গীকার হওয়া উচিত—তার আদর্শ ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ে তোলা। এই আদর্শই বিএনপির রাজনীতির মূল প্রেরণা এবং আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথনির্দেশনা।
শিক্ষক নেতা অধ্যাপক মনিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিতির বক্তব্য রাখেন জাডীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্র ঋণ ও কুটিরশিল্প বিষয়ক সহ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সঠিক সময়ে স্বাধীনতার ঘোষনা না দিলে দেশের পরিস্থিতি কি হতো তা আল্লাহই জানেন। দেশের সমৃদ্ধিতে শহীদ জিয়ার অবদান আজীবন জাতি স্মরণ রাখবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন সিলেট বিভাগীয় লোকাল কমিটির আহবায়ক ও নর্থইস্ট ইউনিভার্সিটির ভিসি প্রফেসর ড. ইকবাল আহমদ, মহানগর বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসিম হোসাইন, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য ও সিলেট জেলা বারের সাবেক সভাপতি এডভোকেট এটিএম ফয়েজ, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি সালেহ আহমদ খছরু, কানাইঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন, সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল আহাদ খান জামাল, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাহবুবুল হক চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক রেজাউল করিম নাচন, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুশিকুর রহমান মুহি, মহানগর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব চৌধুরী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মিফতাহুল কবির মিফতাহ্, জেলা জাসাসের আহবায়ক অধ্যক্ষ নিজাম উদ্দিন তরফদার, অধ্যাপক ফরিদ আহদ, শাবিপ্রবির শিক্ষক অধ্যাপক সালমা আক্তার, নারী ও শিশু আদালতের পিপি এডভোকেট মুজিবুর রহমান, সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ মকসুদ, স্বেচ্ছাসেক দলের কেন্দ্রীয় সহ সাধারণ সম্পাদক কামাল হাসান জুয়েল, সিলেট জেলা মহিলা দলের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) তাহসিন শারমিন তামান্না, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক ফাহিমা কুমকুম, সিলেট জেলা বিএনপির সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সুলতানা রহমান দিনা, বিএনপি নেতা আব্দুস সত্তার মামুন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব আজিজুল হোসেন আজিজ, জেলা জাসাসের সদস্য সচিব রায়হান এইচ খান, গোলাপগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক ও এডিশনাল পিপি মামুন আহমদ রিপন, জেলা জাসাসের যুগ্ম আহবায়ক সিএম আরিফ আব্দুল্লাহ, মহানগর শ্রমিক দলের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম জীবন প্রমুখ।
আজকালের খবর/বিএস