‘ডিসকাউন্ট ফেস্ট ২০২৬’ বাংলাদেশের রিটেইল, ব্র্যান্ড মার্কেটিং ও ভোক্তা সম্পৃক্ততায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আয়োজকরা। তাদের মতে, এ আয়োজনের মাধ্যমে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন বাজার, নতুন গ্রাহক এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ পাবে।
নারী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট ২০২৬’-এর চিফ ফ্যাসিলিটেটর (উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট) জিন্নাত আরা বারী বলেন, বর্তমানে দেশের হাজারো নারী উদ্যোক্তা মানসম্মত পণ্য উৎপাদন করলেও বৃহৎ পরিসরে ক্রেতার কাছে পৌঁছানো, ব্র্যান্ড পরিচিতি তৈরি এবং নতুন ব্যবসায়িক অংশীদার খুঁজে পাওয়া তাদের জন্য এখনও বড় চ্যালেঞ্জ। ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট ২০২৬’ সেই সীমাবদ্ধতা দূর করতে সহায়ক হবে। এই আয়োজনে নারী উদ্যোক্তারা পণ্য বিক্রির পাশাপাশি হাজারো সম্ভাব্য ক্রেতা, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ডিস্ট্রিবিউটর, ব্যবসায়িক অংশীদার এবং গণমাধ্যমের সামনে নিজেদের ব্র্যান্ড তুলে ধরার সুযোগ পাবেন।
আয়োজকরা জানান, এখন থেকে প্রতিবছরই ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট’ আয়োজন করা হবে। ঢাকায় সফল আয়োজনের পর পর্যায়ক্রমে দেশের প্রধান বিভাগীয় শহরগুলোতেও এ উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছর ১১ থেকে ১৩ মার্চ চট্টগ্রামে, ১৩ থেকে ১৫ মে রাজশাহীতে, ১০ থেকে ১৩ জুন সিলেটে এবং ৯ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর খুলনায় ডিসকাউন্ট ফেস্ট অনুষ্ঠিত হবে।
এ ছাড়া ভবিষ্যতে দেশের বাইরেও এ আয়োজন সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। তবে কবে এবং কোন দেশে প্রথম এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে পরে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।
আজকালের খবর/এমকে