বাংলাদেশের তৈরি-পোশাক (আরএমজি) শিল্পের কর্মীদের জন্য ডিজিটাল সংযোগ ও টেলিযোগাযোগ সেবা আরও সহজলভ্য করতে কৌশলগত অংশীদারিত্বে যুক্ত হয়েছে দেশের শীর্ষ টেলিযোগাযোগ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন এবং গার্মেন্টস-কেন্দ্রিক রিটেল নেটওয়ার্ক আপন বাজার।
এই চুক্তির আওতায় আপন বাজার এখন গ্রামীণফোনের একটি ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনার হিসেবে কাজ করবে। একই সঙ্গে আপন বাজারের আউটলেটগুলোতে ‘শপ-ইন-শপ’ রিটেল মডেল চালু করেছে গ্রামীণফোন। এর ফলে তৈরি-পোশাক শিল্পের কর্মীরা সহজেই গ্রামীণফোনের বিভিন্ন পণ্য ও সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
আপন বাজারের আউটলেটগুলোতে গ্রাহকরা সিম অ্যাক্টিভেশন, সিম রিপ্লেসমেন্ট, স্ক্র্যাচ কার্ড, ডাটা প্যাক, ভয়েস বান্ডেল এবং কম্বো প্যাকসহ গ্রামীণফোনের বিভিন্ন সেবা ও অফার উপভোগ করতে পারবেন।
সম্প্রতি রাজধানীর জিপি হাউজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের হেড অব সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন মোহাম্মদ শরীফ মাহমুদ খান এবং আপন বাজারের প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর শেখ সাইফ আল রশিদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান, হেড অব ডিস্ট্রিবিউশন এসকে. ইফতেখার আহমেদ, হেড অব সেলস প্ল্যানিং মো. নাসিরুজ্জামান চৌধুরী, আপন বাজারের ডিরেক্টর (বিজনেস) ইয়াসির আরাফাত, অপারেশনস লিড রেজওয়ানুল আহসান রূপম, ম্যানেজার (এক্সটার্নাল অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স) কানিজ আহমেদ এবং প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর জিনিয়া ইবনাত।
গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান বলেন, সমাজের সব স্তরের মানুষের জন্য ডিজিটাল সংযোগ আরও সহজলভ্য ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে কাজ করছে গ্রামীণফোন। আপন বাজারের সঙ্গে এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে তৈরি-পোশাক শিল্পের কর্মীরা এখন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটার পাশাপাশি একই স্থান থেকে প্রয়োজনীয় টেলিযোগাযোগ সেবাও গ্রহণ করতে পারবেন। এটি ডিজিটাল সংযোগের মাধ্যমে মানুষের ক্ষমতায়ন এবং দেশের ডিজিটাল রূপান্তরকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আপন বাজারের প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর শেখ সাইফ আল রশিদ বলেন, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি এখন আর অতিরিক্ত সুবিধা নয়, বরং আর্থিক ক্ষমতায়নের পূর্বশর্ত। গ্রামীণফোনের সঙ্গে এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে শিল্পখাতের কর্মীদের কাছে সাশ্রয়ী সংযোগ, ডিজিটাল সেবা এবং প্রয়োজনীয় টেলিযোগাযোগ পণ্য আরও সহজলভ্য হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল বৈষম্য কমিয়ে কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নেও এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।
গ্রাহকদের জন্য পণ্য ও সেবা আরও সহজলভ্য করা, উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা এবং দেশজুড়ে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে উদ্ভাবনী ও গ্রাহককেন্দ্রিক ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল গড়ে তুলতে কাজ করছে গ্রামীণফোন। নতুন এই উদ্যোগ সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।
আজকালের খবর/এমকে