সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর মধ্যনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সঞ্জিব রঞ্জন তালুকদার টিটু ও চামারদানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আলমগীর খসরু নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ততা ও দীর্ঘদিন ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে অনুপস্থিত থাকায় এ সময় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদগুলোর দৈনন্দিন প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম প্যানেল চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছিল।
পরবর্তীতে দুই চেয়ারম্যান কর্তৃ হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশনের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে মো.আলমগীর খসরুকে চামারদানী ইউনিয়ন পরিষদ এবং সঞ্জিব রঞ্জন তালুকদারকে মধ্যনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর দীর্ঘ সময় ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম থেকে অনুপস্থিত থাকার পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে বুধবার (১৭ জুন) জারি করা পৃথক দুটি অফিস আদেশে বলা হয়, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং হাইকোর্টের নির্দেশনা আবারও দায়িত্বে ফিরেছেন মধ্যনগর উপজেলার চামারদানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আলমগীর খসরু এবং মধ্যনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সঞ্জিব রঞ্জন তালুকদার। পরে জেলা প্রশাসনের এক আদেশের মাধ্যমে তাদের পুনরায় প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে মধ্যনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সঞ্জিব রঞ্জন তালুকদার টিটু ও চামারদানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আলমগীর খসরু জানান, হাইকোর্ট বিভাগে নিজ নিজ ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হিসেবে পূর্ণ বহন রাখার জন্য আমরা পৃথক দুটি রিট পিটিশন দায়ের করেছিলাম।পরবর্তীতে প্রায় ১ বছর ১০মাস পর রিট পিটিশনটি আমাদের পক্ষে রায় হয়। পরবর্তীতে হাইকোর্টের নির্দেশনা এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সিদ্ধান্তের আলোকে জেলা প্রশাসন আমাদের পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের অনুমতি দেয়। এর ফলে বৃহস্পতিবার (১৮জুন) ২০২৬ থেকে আমরা নিজ নিজ ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হিসেবে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করেছি।
আজকালের খবর/রাশেদুল মিলন