সামাজিক ন্যায়বিচার, শ্রমিক কল্যাণ এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে নিজেদের অঙ্গীকার আরও শক্তিশালী করার ঘোষণা দিয়েছে মালয়েশিয়া। এ লক্ষ্যে দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্লোবাল কোয়ালিশন ফর সোশ্যাল জাস্টিস-এ (সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য বৈশ্বিক জোট) অংশগ্রহণের চিঠি জমা দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থানরত মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী রামানান রামকৃষ্ণান আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হুংবো এর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় এ ঘোষণা দেন।
বৈঠকে মালয়েশিয়া সরকার জানায়, মাদানি সরকারের নীতির আলোকে সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, শ্রমিকদের কল্যাণ সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
মানবসম্পদমন্ত্রী বলেন, দেশের শ্রমবাজারকে আরও কার্যকর ও ভারসাম্যপূর্ণ করতে সরকার, নিয়োগকর্তা ও শ্রমিকদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি সমন্বিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ট্রাইপার্টাইট (ত্রিপক্ষীয়) ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে শিল্প-সম্পর্কের স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে এবং মালয়েশিয়ার শ্রমব্যবস্থার প্রতি আন্তর্জাতিক মহলের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন দাতুক ড. সৈয়দ হোসাইন সৈয়দ হোসমান, মালয়েশিয়ান এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (এমইএফ) সভাপতি দাতুক মোহাম্মদ শাফি বিপি মাম্মাল, ইউনাইটেড নেটওয়ার্ক ইন্টারন্যাশনাল–মালয়েশিয়া লিয়াজোঁ কাউন্সিলের (ইউএনআই-এমএলসি) সভাপতি; এবং মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপ-মহাসচিব (নীতি ও আন্তর্জাতিক) ড. হাজী মোহাম্মদ শাহরিন উমরসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মালয়েশিয়ার এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক শ্রমমান, শ্রমিক অধিকার এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় দেশটির বৈশ্বিক অঙ্গীকারের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আজকালের খবর/ এমকে