কুমিল্লার হোমনায় নৃশংস ট্রিপল মার্ডারের ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও খুনিদের গ্রেপ্তার করতে না পারায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসী। অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে বুধবার (৪ মার্চ) উপজেলার মণিপুর বাজারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলী খেলা-এর চ্যাম্পিয়ন ও মণিপুর গ্রামের বাসিন্দা বাঘা শরীফ বলী, নিহত শিশু মোহাম্মদ হোসাইনের বাবা এবং নিহত গৃহবধূ পাপিয়া আক্তার সুখীর স্বামী সৌদি প্রবাসী জহিরুল ইসলাম, নিহত শিশু জুবাইদের মা লিপি আক্তার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, একটি পরিবারের তিনজনকে গলা কেটে হত্যা করা হলো, অথচ এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি, এটি মেনে নেওয়া যায় না। তারা দ্রুত খুনিদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে উপজেলার মণিপুর গ্রামে প্রবাসী জহিরুল ইসলামের নিজ বাড়িতে স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সুখী (৩২), শিশু সন্তান মোহাম্মদ হোসাইন (৪) ও ভাতিজা জুবাইদকে (৫) নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার খবর পেয়ে পরদিনই সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন জহিরুল ইসলাম এবং হোমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
কিন্তু ঘটনার ১৬ দিন পরও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় এবং রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় এলাকাজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ।
হোমনা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) দীনেশ দাশগুপ্ত বলেন, খুনিদের গ্রেপ্তার ও রহস্য উদঘাটনে পুলিশসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।
এদিকে স্বজনদের প্রশ্ন? আর কতদিন অপেক্ষা? হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেন তারা।
আজকালের খবর/আরএম