চায়ের দেশ ও আধ্যাত্মিক নগরী হিসেবে পরিচিত সিলেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। তবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এর দ্বাদশ আসরে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বিতরণ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ ওঠেছে, প্রকৃত সাংবাদিকদের উপেক্ষা করে আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকা, নাম স্বর্বস্ব পেইজ ও মাল্টিমিডিয়ার সাংবাদিকদের কার্ড বিতরণের।
স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ, সিলেট স্টেডিয়ামে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বিতরণে ৫ আগস্টের পর থেকেই স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। নির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা অনুসরণ না করে 'মুখ দেখে মিষ্টি বিতরণ' পদ্ধতিতে পাস দেওয়া হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেছেন। শুধু তাই নয়, অদক্ষ ও অনভিজ্ঞ টিম মিডিয়ায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে আরো অভিযোগ রয়েছে। তারা কোনরুপ যাচাই-বাছাই না করে এক হাউজ থেকে ৪/৫ জনকে পাস দিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এতে করে প্রকৃত ও পেশাদার সাংবাদিকরা অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, অন্যদিকে প্রভাবশালী মহলের সুবিধাভোগীরা সহজেই পাস পাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, স্টেডিয়ামের বিভিন্ন সুবিধা বিতরণে একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকার অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরেই। অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের পাশাপাশি টিকেট ও অন্যান্য সুবিধা বিতরণেও অনিয়মের কথা শোনা যায়।
স্থানীয় সাংবাদিকরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে সংবাদ সংগ্রহে তাদের ব্যাপক বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে। সঠিকভাবে কোনো পাস দেওয়া হচ্ছে না। তাদের নিজ নিজ স্বার্থে প্রয়োজনীয় মোবাইল সাংবাদিকদের পাস দিয়ে খেলা পরিচালনা চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট ক্রিকেট স্টেডিয়াম মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর দেওয়ান তায়েফ হাসান চৌধুরী বলেন- এক হাওজের কাউকে এই রকম দেওয়া হয়নি টিভি চ্যানেলের বিষয় ভিন্ন।
সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য ড. এনামুল হক চৌধুরী বলেন, আমি একটা জরুরী সভায় আছি পরে কল করবেন।
এ বিষয়ে বিপিএল কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)'র পরিচালক রাহাত শামস বলেন, এ বিষয়ে আসলে আমি এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি তবে আমি বিষয়টা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছি। আপনি আমাকে ওহাটসঅ্যাপ এ একটু তথ্য দেন আমি খতিয়ে দেখব অবশ্যই।
আজকালের খবর/ এমকে