মঙ্গলবার ৩১ মার্চ ২০২৬
দেশবন্ধু গ্রুপে কর্মচাঞ্চল্য: নতুন বিনিয়োগে বেড়েছে গতি
প্রকাশ: শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২২, ৫:৩১ পিএম   (ভিজিট : )
# কারোনার ধাক্কাতেও মন্থর হয়নি এগিয়ে চলা
# এক বছরে পাঁচ হাজার নতুন কর্মীর কর্মসংস্থান
# বছর ব্যবধানে গ্রুপের প্রবৃদ্ধি ১৪ শতাংশ
# ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নে নেওয়া হচ্ছে উৎপাদনমুখী একাধিক প্রকল্প

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক

মহামারি করোনায় সারা বিশে^র মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগে। এতে ছোট-বড় অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার কর্মী কাজ হারিয়েছেন। অনেক প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রম এখনো বন্ধ রয়েছে। তবে করোনার সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান দেশবন্ধু গ্রুপ। নানা রকম প্রতিকূল পরিবেশ সত্ত্বেও করোনার শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত কোনো কর্মীর কাজ হারাতে হয়নি। উল্টো গত এক বছরে প্রায় পাঁচ হাজার নতুন কর্মীর কর্মসংস্থান হয়েছে দেশবন্ধু গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। অর্থাৎ গতবছর গ্রুপের অধীনে কাজ করতো ২০ হাজার মানুষ। বর্তমানে তা বেড়ে ২৫ হাজারে পৌঁছেছে। 
গ্রুপের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি নিজেদের ব্যবসা বাড়াতে উৎপাদমুখী নানা প্রকল্প হাতে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দেশবন্ধু গ্রুপ। এই লক্ষ্যে গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠান দেশবন্ধু সুগার মিলস, সাউথইস্ট সোয়েটার, জিএম অ্যাপারেলস, বেভারেজ, প্যাকেজিং ও দেশবন্ধু টেক্সটাইল মিলসসহ আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও উৎপাদন বাড়াতে গত বছর ৮০০ কোটি টাকা নতুন করে বিনিয়োগ করে দেশবন্ধু গ্রুপ। এতে নতুন করে আরো ২৫ শতাংশ কর্মসংস্থান বেড়েছে। গ্রুপের বার্ষিক টার্নওভার ২৪০০ কোটি থেকে বেড়ে ২৮০০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। যার প্রবৃদ্ধি হার ১৪ শতাংশ। তবে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়লেও প্রত্যাশানুযায়ী উৎপাদন ও বিক্রি কার্যক্রম অর্জিত হয়নি। কারণ গত বছর ৮০০ কোটি টাকা নতুন বিনিয়োগের শুরুতেই শুরু হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। সারা বিশ্বে নেমে আসে নতুন করে আর এক বিপর্যয়। করোনা শঙ্কা যেতে না যেতেই শুরু হয় বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা। এর প্রভাবে দেশে ডলারের দামে রেকর্ড হয়। ডলারের অধিক মূল্যবৃদ্ধিতে কাঁচামাল আমদানিতে বড় ধাক্কা লাগে। কমতে থাকে রিজার্ভ। শুরু হয় ডলার সঙ্কট। এ কারণে বন্ধ হয়ে যায় এলসি। একের পর এক কমতে থাকে বায়ারদের ক্রয় আদেশ। নতুন করে যুক্ত হয় গ্যাস সঙ্কট, জ্বালানি ও বিদ্যুতের অপর্যাপ্ততার সঙ্গে দাম বৃদ্ধি। হু-হু করে বাড়তে থাকে পরিবহন ভাড়া। এছাড়া মূল্যস্ফীতির মতো এরকম শত সমস্যার সত্ত্বেও গ্রুপের কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়নি। নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেতন -ভাতা পেয়েছেন। একজন কর্মীও চাকরি হারায়নি। উল্টো গ্রুপের সব প্রতষ্ঠান মিলে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। এমনকি ব্যাংক ঋণের কিস্তি সীমিত হলেও নিয়মিত পরিশোধ করে যচ্ছে গ্রুপটি। কারণ সরকারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে সরাসরি অবদান রাখছে দেশবন্ধু গ্রুপ। 

বর্তমানে চিনির দাম যে হারে বেড়েছে, তাতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দাম বেঁধে দেয় সরকার। তবে সরকার নির্ধারিত দামে রাজধানীর কোনো দোকানে বিক্রি হতে দেখা যায়নি। এমতাবস্থায় নির্ধারিত দামে টিসিবির আদলে সাধারণ মানুষের জন্য ট্রাকে করে রাজধানীতে চিনি সরবরাহ করে যাচ্ছে দেশবন্ধু সুগার মিলস। 
জানা গেছে, চলতি বছরে উত্তরবঙ্গের চাহিদানুযায়ী দেশবন্ধু সিমেন্ট কারখানার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে। যা পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সরকারের কোষাগারে জমা হবে মোটা অংকের ভ্যাট ও ট্যাক্স। রাজধানীর উত্তরখানে দেশবন্ধু গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সাউথইস্ট সোয়েটার লিমিটেড ও জিএম অ্যাপারেলস লিমিটেড। গত বছর বাণিজ্য কার্যত্রুমের উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি তখন বলেছিলেন, দেশবন্ধু আসলেই দেশ ও জনগণের বন্ধু। মহামারি করোনার মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে গ্রুপের সব কার্যক্রম চলমান রেখেছে। কোনো কর্মকর্তা এমনকি কোনো শ্রমিককে চাকরি হারাতে হয়নি। শতকষ্টের মধ্যেও তাদের বেতনভাতা পরিশোধ করে যাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে এর চেয়ে ভালো খবর আর কি হতে পারে।

দেশবন্ধু গ্রুপের কর্মকর্তারা বলছেন, গ্রুপের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তাফার লক্ষ্যই হলো দেশে কর্মসংস্থান বাড়ানো। একই সঙ্গে দেশের গতিময় অর্থনীতির চাকা আরো গতিশীল করা। চলমান শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন শিল্প স্থাপন অব্যাহত রেখেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার। এতে করে বেসরকারি খাতে ব্যাপক অবদানসহ কর্মসংস্থান, উন্নতমানের পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিতে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে দেশবন্ধু গ্রুপ আরো অগ্রসর হবে বলে আশা করছেন কর্তৃপক্ষ। শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) সরেজমিন দেশবন্ধু গ্রুপের কয়েকটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, দেশবন্ধু গ্রুপের নরসিংদীর চরসিন্দুর পলাশ শিল্প এলাকায় অবস্থিত সব কারখানায় চলছে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ। এ সময় সাংবাদিকরা কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মঙ্গে মতবিনিময় ও সার্বিক পরিবেশ-পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। 

সার্বিক বিষয়ে দেশবন্ধু গ্রুপের পরিচালক (প্রশাসন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাকির হোসেন বলেন, করোনায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রতিটি দেশই বিপর্যস্ত। সেই ধাক্কা কাটতে না কাটতে শুরু হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এতে সারাবিশ্বে আমদানি-রপ্তানিতে বিরূপ প্রভাব পড়ে। তিনি বলেন, দেশবন্ধু গ্রুপের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেগুলো শুধু রপ্তানিনির্ভর। সে সব কোম্পানি দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যুদ্ধের কারণে। এমন বাস্তবতা সামনে রেখে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন অব্যাহত রেখে দেশ ও দেশের মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে দেশবন্ধু গ্রুপ। তিনি বলেন, শুধু অভ্যন্তরীণ নয়, রপ্তানিকৃত সব ধরনের পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে দেশবন্ধু। জাকির হোসেন বলেন, দেশবন্ধু গ্রুপ একটি মানবিক ও কর্মীবান্ধব প্রতিষ্ঠান। 

এদিকে খুব অল্প সময়েই দেশবাসীর মন জয় করেছে দেশবন্ধু বেভারেজের সব ধরনের পণ্য। বিশেষ করে দেশবন্ধু মিনারেল ওয়াটার সারাদেশে ব্যাপক চাহিদা তৈরি করতে পেরেছে। ফলে গত বছরে দেশবন্ধু বেভারেজ কারখানার নতুন সেকশনসহ সার্বিক উন্নয়নে করোনার মধ্যেই ২০০ কোটি টাকার বেশি নতুন বিনিয়োগ করা হয়। কারখানায় উন্নত প্রযুক্তির ইতালিয়ান মেশিনারিজ স্থাপন করা হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যেই উৎপাদন কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে ধীরগতিতে চলছে উৎপাদন কাজ। তবে কারখানার নতুন মেশিনারিজে পুরোদমে উৎপাদন শুরু হলে প্রতিঘণ্টায় উৎপাদন হবে ৭৫ হাজার (বিপিএইচ) বোতল। অর্থাৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে ৬৫ শতাংশ। সেক্ষেত্রে নতুন কর্মসংস্থান হবে প্রায় ১৫০০ মানুষের। দেশবন্ধু বেভারেজের মহাব্যবস্থাপক মারুফ হোসেন বলেন, দেশবন্ধু ফুড অ্যান্ড বেভারেজ দেশবন্ধু গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। কোনো অবস্থাতেই পণ্যের মানের বিষয়ে ছাড় দেওয়া হয় না। শতভাগ কোয়ালিটি বজায় রেখে নিজস্ব কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের মাণ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। দেশবাসী আমাদের প্রতি আস্থা রেখেছেন। আমরা তাদের আস্থার প্রতিদান অবশ্যই দেবো। তিনি বলেন, বেভারেজ তৈরিতে যেসব কাঁচামাল ব্যবহৃত হয়, তার সবই আমরা অস্ট্রেলিয়া, ইতালি ও ব্রাজিলসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করে থাকি। কিন্তু বর্তমানে ডলারের দর বৃদ্ধি ও এলসি না পাওয়ার কারণে পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনে যাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, দেশবন্ধু বেভারেজের নিজস্ব কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে দেশবন্ধু মিনারেল ওয়াটার, দেশবন্ধু কোলা, ফ্রেন্ডস আপ, দেশবন্ধু লিচি, দেশবন্ধু জিরা, দেশবন্ধু অরেঞ্জ, দেশবন্ধু ম্যাংগো জুস, গুরু ও নিয়নসহ মোট ১৮টি ফ্লেবার। তিনি আরো বলেন, দেশবন্ধু বেভারেজে উৎপাদিত পণ্য দেশে বিক্রি ছাড়াও দুবাই, থাইল্যান্ড, শ্রীলংকা, মালয়েশিয়া, গ্রিসেও রপ্তানি হচ্ছে। 

দেশবন্ধু প্যাকেজিং ও পলিমার লিমিটেডের প্রধান (বৈদেশিক বিপণন) মো. শফিউল আজম তালুকদার বলেন, বিশ্ববাজারে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করতে দেশবন্ধু গ্রুপ পালন করছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। দেশের গ-ি পেরিয়ে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি করে আনছে বৈদেশিক মুদ্রা।

এদিকে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গ্রুপের একমাত্র প্রতিষ্ঠান দেশবন্ধু পলিমার। সরেজমিনে দেখা গেছে, পলিমারের উৎপাদন কার্যক্রম বেশ গোছালো ও আন্তরিকতার সঙ্গে করছেন কর্মীরা। দেশবন্ধু পলিমারের মহাব্যবস্থাপক ইঞ্জিনিয়ার সাখাওয়াত হোসেন জানান, দেশবন্ধু সুগার মিলস চালু হওয়ার পর মোড়কের জন্য প্রতি বছর ৩৫ থেকে ৩৬ লাখ চিনির ব্যাগ প্রয়োজন হয়। সেই প্রেক্ষিতে ২০০৬ সালে দেশবন্ধু পলিমার কারখানা স্থাপন করা হয়। প্রথমে তাইওয়ানের মেশিনারি দিয়ে স্বল্প পরিসরে অর্থাৎ বার্ষিক এক কোটি ব্যাগ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন মিল স্থাপন করা হয়। পরবর্তী সময়ে আরো মেশিনারিজ সংযোজনের মাধ্যমে ২০১৩ ও ২০১৬ সালে আরো উৎপাদন বৃদ্ধি করে সিমেন্ট ব্যাগসহ বর্তমানে এর উৎপাদন ছয় কোটি ব্যাগে উন্নীত করা হয়েছে। তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশে^র বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে দেশবন্ধু পলিমার ও দেশবন্ধু প্যাকেজিংয়ের ডব্লিউপিপি ব্যাগ, ওয়ান এবং ডাবল প্লাই সিমেন্ট ব্যাগ, বিওপিপি (সুইং এবং পেস্টিং) এবং এফআইবিসি ব্যাগ। 

জানা গেছে, ১৯৮৯ সালে ট্রেডিং ও সার আমদানির মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে দেশের অন্যতম শিল্প গ্রুপ ‘দেশবন্ধু’। হাঁটি হাঁটি পা পা করে এ বছর গ্রুপটি অগ্রগতির ৩৩ বছর উদযাপন করেছে। দেশবন্ধু পলিমার, দেশবন্ধু সিমেন্ট, সাউথইস্ট সোয়েটার, দেশবন্ধু শিপিং, জিএম হোল্ডিংস, সাহেরা অটো রাইস মিলস, দেশবন্ধু সিকিউরিটি সার্ভিসেস, ট্রেডিং কোম্পানিজ, দেশবন্ধু পাওয়ার প্ল্যান্ট, দেশবন্ধু টেক্সটাইল, দেশবন্ধু ফাইবার, দেশবন্ধু কনজ্যুমার অ্যান্ড অ্যাগ্রো, সাহেরা ওয়াসেক হাসপাতাল, দেশবন্ধু পার্সেল অ্যান্ড লজিস্টিকস এবং দেশবন্ধু মিডিয়া দেশের বেসরকারিখাতে সগৌরবে কাজ করে যাচ্ছে। 

আজকালের খবর/বিএস 











সর্বশেষ সংবাদ
নান্দাইল পৌর সদরে এক রাতে তিন বাসায় চুরি
শিক্ষাবিদ নূরুল ইসলাম ভাওয়ালরত্নের ইন্তেকাল
নতুন বছরে জঙ্গি মোকাবিলায় প্রস্তুত র‌্যাব: ডিজি
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
কাজী নজরুল ইসলাম ও বাংলা গান
এভাবে চলে যেতে নেই
পরীমনির জীবনটা আমার জীবনের মতো: তসলিমা
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রাপা প্লাজা( ৭ম তলা), রোড-২৭ (পুরাতন) ১৬ (নতুন), ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৯।
ফোন: বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor@gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor@gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft