কোকা-কোলা বাংলাদেশ ফ্রন্ট লাইন মার্কেটিং বিভাগের পরিচালক হিসেবে লায়লা ফারজানাকে নিয়োগ দিয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিপণন, মিডিয়া, ডিজিটাল রূপান্তর, ট্রেড মার্কেটিং এবং ক্যাটাগরি ম্যানেজমেন্টে লায়লা ফারজানার ১৬ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে।
কোকা-কোলা বাংলাদেশে যোগদানের আগে তিনি ইউনিলিভার বাংলাদেশের ডিজিটাল মার্কেটিং, মিডিয়া ও ডি-কমার্স বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ডিজিটাল বিপণন, মিডিয়া ও ডি-কমার্স কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি মিডিয়া বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনায় কাজ করেন।
ইউনিলিভারে আট বছরের কর্মজীবনে তিনি ক্যাটাগরি ম্যানেজমেন্ট, কাস্টমার মার্কেটিং এবং মিডিয়াসহ বিভিন্ন নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে গ্রামীণফোন, বাংলালিংক এবং সুইসকন্ট্যাক্ট-ক্যাটালিস্টে বিপণন ও ট্রেড-সংক্রান্ত বিভিন্ন পদে কাজ করেছেন। তথ্যনির্ভর বিপণন কৌশল, ভোক্তাকেন্দ্রিক পরিকল্পনা এবং আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্র্যান্ড উন্নয়নে তার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে লায়লা ফারজানা বলেন, কোকা-কোলা বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে তিনি আনন্দিত। তিনি প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ডের প্রবৃদ্ধি, ভোক্তাদের জন্য অর্থবহ অভিজ্ঞতা তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাজার সম্প্রসারণে কাজ করতে চান।
কোকা-কোলা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈন উল্লাহ চৌধুরী বলেন, লায়লা ফারজানার বিপণন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বহুমুখী অভিজ্ঞতা প্রতিষ্ঠানটির বিপণন কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে বলে তারা আশা করছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে স্নাতক লায়লা ফারজানার কাস্টমার মার্কেটিং ও ভোক্তাকেন্দ্রিক কৌশল প্রণয়নে উল্লেখযোগ্য অভিজ্ঞতা রয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, কোকা-কোলা বাংলাদেশ লিমিটেড যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দ্য কোকা-কোলা কোম্পানির পরোক্ষভাবে শতভাগ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান।
অনুমোদিত বোতলজাতকরণ অংশীদার কোকা-কোলা বাংলাদেশ বেভারেজ লিমিটেড এবং আব্দুল মোনেম লিমিটেডের মাধ্যমে ১৯৬২ সাল থেকে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে কোকা-কোলা, কোকা-কোলা জিরো সুগার, ডায়েট কোক, স্প্রাইট, স্প্রাইট মিন্ট, স্প্রাইট জিরো সুগার, ফ্যান্টা, ফ্যান্টা অ্যাপল, কিনলে ওয়াটার ও কিনলে সোডাসহ বিভিন্ন নন-অ্যালকোহলিক পানীয় বাজারজাত করছে।
প্রতিষ্ঠানটির তথ্যমতে, বাংলাদেশে কোকা-কোলা সিস্টেম প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ২২ হাজার ১০০ জনের কর্মসংস্থানে অবদান রাখছে। এর মধ্যে ৮০০টি প্রত্যক্ষ এবং ২১ হাজার ৩০০টি পরোক্ষ কর্মসংস্থান।
আজকালের খবর/ এমকে