গ্রীষ্মের শুরু থেকেই সারাদেশে ভ্যাপসা গরমের পাশাপাশি তাপদাহে জনজীবন অতিষ্ঠ। দিনে প্রচন্ড তাপদাহ, রাতে অস্বস্তিকর গরম। এই তাপদাহ ও গরম থেকে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে রসালো তালের শাঁসের যেনো কোনো জুরি নেই। সলঙ্গা বাজার সহ আশে পাশের বিভিন্ন হাটবাজার গুলোতে বিক্রি হচ্ছে এই তালের শাঁস। তালশাঁস যেমন দেহের ক্লান্তি দূর করে শরীরকে চাঙ্গা করে তেমনি শরীরে পানি শূন্যতা পূরণ সহ দেহে বিভন্ন রোগের প্রতিসেধক হিসেবেও ব্যাপক ভূমিকা রাখে।
তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে তালের শাঁসের ব্যাপক চাহিদা। গ্রীষ্মের অসহনীয় গরমে দিশেহারা পথচারীদের এক মুহূর্তের জন্য হলেও তৃষ্ণায় স্বস্তি এনে দিচ্ছে এই তালের শাঁস। চাহিদার তুলনায় দাম একটু চড়া হলে ও ক্রেতারা সহজেই কিনতে পারছেন এই তালশাঁস। মৌসুমী ফল হিসেবে এর কদর রয়েছে দেশজুড়ে। কীটনাশক এবং ফরমালীন মুক্ত তাজা ও সতেজ তালের শাঁসে রয়েছে ভিটামিন এ,বি সম্মৃদ্ধ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান।বিভিন্ন ফুটপাতে দোকান সাজিয়ে বসেছে তালশাঁস বিক্রেতারা।দোকানিরা তালশাঁস বিক্রী করে জীবন জীবিকার পাশাপাশী অবদান রাখছে গ্রামীন অর্থনীতিতেও।
চিকিৎসকদের মতে তীব্র গরমে পরিমিত তালশাঁস খেলে শরীরে পানি শূন্যতা দূর করে পেট ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে এই তালেরশাঁস। চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতেও এর ভূমিকা রয়েছে অপরিসীম। প্রতি ১০০ গ্রাম তালের শাঁসে রয়েছে ০.৮ গ্রাম খাদ্যোপযোগী খনিজ পদার্থ, ২০.৭ গ্রাম শর্করা, ০.৮ গ্রাম আমিষ ও ০.৫ গ্রাম খাদ্য আঁশ। ০.৫ গ্রাম খাদ্য আঁশ থাকায় এটি হজমশক্তি বৃদ্ধি সহ শরীরে অবাক করার মতো শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।প্রায় ৮৭ কিলগ্রাম ক্যালোরি ও ৮ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকায় তালেরশাঁস হাড় গঠনেও সহায়ক। বিশেষজ্ঞদের মতে বিভিন্ন রকমের ভিটামিন।
আজকালের খবর / রাশেদুল মিলন