রামিসা হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড দেশের মানুষের হৃদয়কে নাড়া দিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এ ধরনের জঘন্য অপরাধ করার সাহস না পায়।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে ‘দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাব : স্বাস্থ্যকর্মীদের করণীয় এবং জনসচেতনতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজসমূহের জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক নেতৃবৃন্দ এই সেমিনারের আয়োজন করে।
সরকার রামিসার পরিবারের পাশে রয়েছে জানিয়ে এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, রামিসার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। সরকার রামিসার শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে রয়েছে।
তিনি বলেন, অপরাধীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে।
হামের প্রাদুর্ভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে ডেঙ্গুর মতো হামও এখন বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। অতীতে হাম থাকলেও বর্তমান সময়ে এর ভয়াবহতা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, শিশুদের পুষ্টিহীনতা, ভিটামিনের ঘাটতি এবং স্বাস্থ্যসচেতনতার অভাবের কারণেও পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে।
জাহিদ হোসেন বলেন, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিচার বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। যেকোনো ধরনের নির্যাতন প্রতিরোধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা মো. জিয়াউল ইসলাম, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসাররাত সুলতানা (সুমী), আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালের শিশুরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সুফিয়া খাতুন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
আজকালের খবর/ এমকে