গোপনে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের উপ-প্রতিনিধিকে বহিষ্কার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে গত ডিসেম্বরেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে ওয়াশিংটন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওজের বরাতে শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) ইয়েনি শাফাকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বহিষ্কৃত ওই কূটনীতিক হলেন সাদাত আগাজানি। তিনি জাতিসংঘে নিযুক্তি ইরানের ডেপুটি প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাকে ডিসেম্বরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর একটি বিশেষ অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া তথা ‘সেকশন ১৩’ ব্যবহার করে তাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করে। সাধারণত কূটনীতিকদের ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ ঘোষণা করে বহিষ্কার করা হলেও, এই পদ্ধতিতে তা প্রকাশ্যে না এনে নীরবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এছাড়া, আগাজানির সন্তানদেরও ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে আরও অন্তত দুইজন ইরানি কূটনীতিককে একইভাবে বহিষ্কার করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, নিউইয়র্কে ইরানি কূটনীতিকদের চলাচল ম্যানহাটনের কেন্দ্র থেকে ২৫ মাইলের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয়েছিল এবং অন্তত একজন সেই নিয়ম ভঙ্গ করেছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, জাতিসংঘে কর্মরত নির্দিষ্ট কিছু ইরানি কর্মীর অবস্থা সম্পর্কে ৪ ডিসেম্বর একটি নোট ভার্বাল (মৌখিক বিজ্ঞপ্তি) প্রদান করা হয়েছিল। কিন্তু গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে তিনি বিস্তারিত বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।
ওই কর্মকর্তা বলেন, এই পদক্ষেপটি ‘ইরানের বিক্ষোভের অনেক আগেই’ নেওয়া হয়েছিল। এর সাথে সেই ঘটনাগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই।
আজকালের খবর/বিএস