বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালে প্রথমার্ধ জুড়ে ছিল স্নায়ুর লড়াই, শক্ত ট্যাকল আর একের পর এক ফাউল। ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা গোলের দেখা না পেলেও মাঠের উত্তাপ ছিল তুঙ্গে। বিশেষ করে ফাউলের সংখ্যাই বলে দিচ্ছে, দুই দলই এক ইঞ্চি জায়গা ছাড় দিতে রাজি নয়।
প্রথমার্ধ শেষে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার সেমিফাইনালের স্কোরলাইন ছিল ০-০। তবে গোল না হলেও ম্যাচে উত্তেজনার কোনো কমতি ছিল না।
প্রথম ৪৫ মিনিটে মোট ১৯টি ফাউল হয়েছে। এর মধ্যে ইংল্যান্ড করেছে ৭টি, আর আর্জেন্টিনা ১২টি। কঠোর লড়াইয়ের এই ম্যাচে দুই দলই একটি করে হলুদ কার্ড দেখেছে।
বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। লিওনেল স্কালোনির দলের দখলে ছিল ৫৫ শতাংশ বল, যেখানে ইংল্যান্ডের ছিল ৪৫ শতাংশ।
আক্রমণেও সামান্য এগিয়ে আর্জেন্টিনা। তারা ২টি শট নিয়েছে, ইংল্যান্ড নিয়েছে ১টি। তবে দুই দলেরই আক্রমণ খুব বেশি বিপজ্জনক হয়ে ওঠেনি। এক্সপেক্টেড গোল-এ ইংল্যান্ডের ০.০৫, আর আর্জেন্টিনার ০.০৩, যা প্রথমার্ধে পরিষ্কার গোলের সুযোগের অভাবই তুলে ধরে।
পাসের সংখ্যাতেও এগিয়ে আর্জেন্টিনা। তারা ২৫১টি পাস সম্পন্ন করেছে, যেখানে ইংল্যান্ডের পাস ১৯৮টি। এছাড়া ট্যাকলেও আর্জেন্টিনা এগিয়ে (১১-৮), আর কর্নার পেয়েছে দুই দলই একটি করে।
সব মিলিয়ে প্রথমার্ধে গোল না হলেও ম্যাচটি ছিল ট্যাকটিক্যাল, শারীরিক এবং অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। দ্বিতীয়ার্ধে সামান্য একটি ভুল কিংবা একটি মুহূর্তের জাদুই নির্ধারণ করে দিতে পারে কে উঠবে বিশ্বকাপের ফাইনালে।
আজকালের খবর/বিএস